উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যালামনাই রিইউনিয়ন ২০২৬। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিনিধি ও অতিথিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন এবং উত্তরা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ইয়াসমিন আরা লেখা যৌথভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ করেন। পরে কবুতর উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, অ্যালামনাই রিইউনিয়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সাবেক শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। পাশাপাশি বর্তমান শিক্ষার্থীরা সাবেকদের অভিজ্ঞতা ও অর্জন থেকে শেখার সুযোগ পান। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও অগ্রযাত্রায় অ্যালামনাইদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উপাচার্য প্রফেসর ড. ইয়াসমিন আরা লেখা বলেন, একাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণা, উদ্ভাবন ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। অ্যালামনাইরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের পেশাগত অর্জন ও সক্রিয় সম্পৃক্ততা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় ও ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রাকে সমৃদ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আবদুর রশিদ, উত্তরা ইউনিভার্সিটির স্কুল অব সিভিল, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন প্রফেসর ড. মো. সুলতানুল ইসলাম এবং প্রধান অতিথি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের সহধর্মিণী রাজিয়া সুলতানা।
অনুষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতা করে উত্তরা ইউনিভার্সিটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সোসাইটি ও অফিস অব এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স। অনুষ্ঠানের টাইটেল স্পন্সর ছিল এসএসআরএএইচ ট্রাভেলস।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যালামনাই সোসাইটির সভাপতি ও অনুষ্ঠান সচিব আবু তালিব পিকে আয়োজনে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল আলম।
পরে জনপ্রিয় বাংলাদেশি ব্যান্ড শিরোনামহীনের লাইভ পারফরম্যান্সে মুখর হয়ে ওঠে উত্তরা ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস। কনসার্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন।
সাবেক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করা এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভিন্ন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের একত্র করার মধ্য দিয়ে এবারের অ্যালামনাই রিইউনিয়ন সম্পন্ন হয়।