আসিয়ান কাপের মূল মঞ্চে পা রাখার আগে ভিন্ন সুর বেজে উঠেছে বাংলাদেশ ফুটবল দলে। যেখানে দলের প্রধান কোচ টমাস ডুলি র্যাঙ্কিংয়ের ব্যবধান ও প্রস্তুতির ঘাটতির কথা মাথায় রেখে সমর্থকদের অবাস্তব প্রত্যাশা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন, ঠিক বিপরীত স্রোতে হেঁটে পরবর্তী রাউন্ডে খেলার স্বপ্ন দেখছেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।
কোচের সাবধানী বার্তার সঙ্গে দলের ইনজুরি সমস্যা ও বাস্তবচিত্র মিলিয়ে নেওয়ার পর, অধিনায়ক তাকাচ্ছেন ২০১৮ এশিয়ান গেমসের মধুর স্মৃতির দিকে। দুই মেরুর এই ভাবনাকে সঙ্গী করেই আসিয়ান কাপের মিশনে নামছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
আশাবাদী মনোভাব ব্যক্ত করে ও নিজের লক্ষ্য পরিষ্কার করে জামাল আজকের সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘অবশ্যই আমরা কোয়ালিফাই করতে চাই। আমাদের প্রত্যাশা তো এমনই থাকতেই হবে। কোনো টুর্নামেন্টে গিয়ে শুধু অংশগ্রহণ করব, এভাবে তো হয় না। সবারই স্বপ্ন আছে, আমারও আছে। আমরা নেক্সট রাউন্ডে কোয়ালিফাই করতে চাই।’ ডিভিশন ১-এর দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল খেলবে ফাইনালে আর রানার্স-আপরা খেলবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। সেখানে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফাইনাল খেলার স্বপ্নটাই দেখছেন জামাল।
দলের অতিরিক্ত ইনজুরি ও দুই বেলা কঠোর অনুশীলন বা প্রি-সিজনের লোড প্রসঙ্গে জামাল বলেন, ‘সবসময় ট্রেনিংয়ের কথা বলছি, আমরা এখন প্রি-সিজনে আছি। প্রি-সিজনের প্র্যাকটিস একটু হার্ড থাকে, শরীরে অনেক বেশি লোড থাকে। সুতরাং হয়তো ওই কারণেই একটু বেশি ইনজুরি হয়েছে।’
অতীতের সাফল্যের কথা টেনে এনে অধিনায়ক আরও বলেন, ‘আমরা জানি কাজটা কঠিন হবে। ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া অনেক শক্তিশালী দল। তবে ২০১৮ সালে আমরা যখন ইন্দোনেশিয়ায় ছিলাম, আমাদের গ্রুপে উজবেকিস্তান, থাইল্যান্ড ও কাতার ছিল। তখন কেউ ভাবেনি আমরা কোয়ালিফাই করব। কিন্তু আমরা ঠিকই শেষ ষোলোতে গিয়েছিলাম। এবারও তেমন কিছু হতে পারে।’
সোশ্যাল মিডিয়ার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ডুলি, ‘রাতারাতি ভালো দল হওয়া সম্ভব নয়’