গজারিয়ায় দুই সহোদরের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন 

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের, জোর পূর্বক জমি দখল, প্রাণনাশের হুমকি, চাঁদা দাবির অভিযোগে আপন দুই সহোদর একে অন্যের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছে।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের চর বলাকী গ্রামে সংবাদ সম্মেলন করে মৃত সোবহান জমাদার এর ছেলে নুরুল ইসলাম জমাদার ও তার চাচাতো ভাই মৃত আহসান উল্লাহ জমাদারের ছেলে নাজমুল হোসেন জমাদার, গোলাপ হোসেন জমাদার, মাসহার হোসেন জমাদার (টিটু) প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল হোসেন জমাদার বলেন, আমার চাচাতো ভাই তাজুল ইসলাম জমাদার আমাদের ৫ ভাই ও তার আপন ভাই নুরুল ইসলাম জমাদারের নামে আদালতে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ এনে একটা মামলা দায়ের করেন যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
যাদেরকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ্য করেছেন, তারা এখানে উপস্থিত রয়েছেন প্রকৃত ঘটনা হলো পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমি তিনি ত্রিশ বছর পূর্বে আমাদের কাছে বিক্রি করেছেন। আমরা জীবিকার তাগিদে ঢাকায় বসবাস করি এই সুযোগে তিনি সেই জায়গায় জোরপূর্বক টিনের ঘর নির্মাণ করলে আমরা বাঁধা দেই, যা নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিক বার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মুহূর্তে তিনি আমাদের সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও আইনগত ভাবে হয়রানী করার উদ্দেশ্যেই বিভিন্নভাবে চেষ্টা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। 

নুরুল ইসলাম জমাদার বলেন, আমার আপন বড় ভাই তাজুল ইসলাম চাচাতো ভাইদের কাছে তার অংশ বিক্রি করে ফেলায় আমি চাচাতো ভাইদের সেই অংশ বুঝিয়ে দিয়ে তাকে ছাড়া আমাদের অন্য ৪ ভাইয়ের নামে জমি রেকর্ড করাই যার ফলে এখন আমার বড় ভাই, চাচাতো ভাইদের সাথে আমাকেও বিভিন্নভাবে হয়রানী করে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য এই ঘটনায় গতকাল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার ভবেরচর বাসষ্টান্ড এলাকায় সাংবাদিকদের অস্থায়ী  কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে মৃত সোবহান জমাদ্দারের বড় ছেলে তাজুল ইসলাম জমাদার। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার সুযোগে তার আপন ছোট ভাই নুরুল ইসলাম এর সহায়তায় চাচাতো ভাইয়েরা তার জমি দখল করে নিয়েছেন, সম্প্রতি দেশে ফিরে নিজের প্রাপ্য জমি বুঝে নিতে গেলে তারা তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন, একই সঙ্গে তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ নকীব আকরাম হোসেন বলেন, তাদের মধ্যে পারিবারিক জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছিল। থানায় বিষয়টি মীমাংসা না হওয়ায় শুনেছি তিনি আদালতে মামলা করেছেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত