ফুসফুস ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় যে অভ্যাস

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ এএম

আমাদের প্রতিদিনকার এমন কিছু অভ্যাস আছে, যা ফুসফুসে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। প্রায় সবাই এই অভ্যাসগুলোর সঙ্গে পরিচিত।

পরোক্ষ ধূমপান : নিজে ধূমপান না করলেও পাশে থাকা ধূমপায়ীর সিগারেট বা বিড়ির ধোঁয়া শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে সরাসরি ফুসফুসে ঢোকে। যা শ্বাসনালি ও ফুসফুসে গিয়ে টক্সিন হিসেবে জমা হয়। রাসায়নিকের কারণেই ফুসফুসের কোষে বদল ঘটতে পারে। কোষের অস্বাভাবিক বিভাজন ঘটে ক্যানসার কোষের জন্ম হতে পারে।

রান্নার ধোঁয়া : বদ্ধ জায়গা বা পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের বন্দোবস্ত নেই এমন রান্নাঘরে গ্যাস বা অন্যান্য জ¦ালানি দিয়ে রান্না করার সময়ে যে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও কার্বন মনোক্সাইড বার হয়, তা ফুসফুসের জন্য বিপজ্জনক। তা ছাড়া রান্না করার সময়ে যে তেল বা মসলাপোড়া ধোঁয়া বার হয় তাতে বেঞ্জিন, ফরম্যালডিহাইডের মতো রাসায়নিক থাকে, যা ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

ধুলাবালিতে মাস্ক না পরা : শিল্পাঞ্চলের বিষাক্ত ধোঁয়া ও রাসায়নিক কণার সংস্পর্শে দীর্ঘসময় মাস্ক বা সুরক্ষা ছাড়া থাকলে ফুসফুস বিকল হতে থাকে। পেশাগত কারণে যাদের দীর্ঘসময় ধুলাবালি বা ধোঁয়ায় থাকতে হয়, তাদের মাস্ক পরে থাকা জরুরি।

দীর্ঘদিনের কাশিকে অবহেলা : দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসকষ্টকে অবহেলা করলেও বিপদ ঘটতে পারে। শ্বাসকষ্টের সমস্যাকে অনেকেই সাধারণ সর্দি-কাশির জন্য হচ্ছে ভেবে এড়িয়ে যান। ফুসফুসের কোষে বদল ঘটলে বা কোষের অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন শুরু হলে তার প্রাথমিক উপসর্গ এমন হতে পারে।

ঘরে মশা মারার ধূপ বা কয়েল : মশা তাড়ানোর কয়েল বা ধূপ সারা সার জ¦ললে তার ধোঁয়া ফুসফুসের জন্য বিষ হয়ে ওঠে। সুগন্ধি মোমবাতিও কিন্তু নিরাপদ নয়। এমন ধোঁয়ায় ফরম্যালডিহাইড, বেঞ্জিন এবং আরও নানা বিষাক্ত গ্যাস থাকে। বদ্ধ ঘরে একটি মশার কয়েল জ¦ালালে প্রায় ১০০টি সিগারেটের সমান ধোঁয়া ও বিষাক্ত কণা নির্গত হয়, যা ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত