মানুষের মৃত্যুপূর্ব গন্ধ পায় বিড়াল

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ এএম

বিড়ালের শারীরিক গঠন ও ইন্দ্রিয়গুলোর কারণে কিছু অবিশ্বাস্য ক্ষমতা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম মানুষের মৃত্যুগন্ধ আগাম টের পাওয়া। ‘অ্যাপ্লায়েড অ্যানিমেল বিহেভিয়ার সায়েন্স’ জার্নালে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছে, তীব্র ঘ্রাণশক্তি, শ্রবণক্ষমতা ও দৃষ্টিশক্তির বাইরে বিড়াল তাপমাত্রার তারতম্যের ব্যাপারে অতিরিক্ত সংবেদনশীল। বিশ্বজুড়ে অনেক সভ্যতা বিশ্বাস করেছে, বিড়াল মানুষের মৃত্যু আগাম বুঝতে পারে। কারও মৃত্যুর আগে নাকি বিড়ালের আচরণে বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। এদের আশ্চর্য ক্ষমতা নিয়ে একদিকে যেমন বহু কাহিনি প্রচলিত, অন্যদিকে বিষয়টির যুক্তিসম্মত ব্যাখ্যা খুঁজছেন অনেকে। এমন হতে পারে, মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের দেহের তাপমাত্রাগত পরিবর্তন তারা টের পায়। এই প্রাণী মানুষ ও কুকুরের চেয়ে অনেক বেশি উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ শুনে। তাদের গোঁফ শুধু পশম নয়, বাতাসের গতিপ্রবাহ ও আশপাশের বস্তুর উপস্থিতি নিখুঁতভাবে বুঝতে জিপিএস-এর মতো কাজ করে। বিড়াল ও মানুষের মৃত্যু নিয়ে বহু অতিপ্রাকৃত কাহিনি পৃথিবীতে রয়েছে। কিন্তু আজও জানা যায়নি, বিড়ালের এমন ক্ষমতা সত্যিই রয়েছে কি না। যদি তা থাকেও, এর নেপথ্যের বৈজ্ঞানিক কারণ জানা যায়নি। তবে পৃথিবীর অনেক মানুষ এখনো বিশ্বাস করেন বিড়ালের অবিশ্বাস্য কিছু ক্ষমতা রয়েছে, যা মানুষ আজও জানে না। তবে কী ধরনের ক্ষমতা রয়েছে, তা নিয়ে অনেক বিজ্ঞানী সন্দিহান। আরেক পক্ষ বলছেন, মৃত্যুপূর্ব গন্ধ পাওয়ার বিষয়টি একেবারেই সঠিক। এর কারণ হচ্ছে, বিশে^র অসংখ্য বিজ্ঞান জার্নালে এ বিষয়ে যুক্তিসংগত অনেক কিছু ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত