আকাশের দিকে তাকালে মানুষের মনে বিস্ময় জাগে। আকাশ কখনো নীল। কখনো মেঘে ঢেকে যায়। আবার সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় আকাশের রং বদলায়। আর কেয়ামতের দিন আকাশের রং হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেদিন পৃথিবীর পরিচিত দৃশ্যগুলো বদলে যাবে। আকাশ বিদীর্ণ হবে এবং এর রং হবে ভয়াবহ ও বিস্ময়কর।
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে, সেদিন তা লাল গোলাপের মতো রক্তিম চামড়ার রূপ ধারণ করবে।’ (সুরা আর-রহমান ৩৭)
এই আয়াতে কেয়ামতের দিনের আকাশের একটি গভীর ও শক্তিশালী চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেদিন আকাশের দৃশ্য হবে এমন, যা মানুষের পরিচিত আকাশের সঙ্গে কোনোভাবেই তুলনীয় নয়।
কেয়ামতের দিন মহাবিশ্বের বর্তমান নিয়ম ও পরিচিত রূপ আর থাকবে না। আকাশ বিদীর্ণ হবে। তার দৃশ্য ও রং পরিবর্তিত হবে। পৃথিবীও ভয়াবহ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাবে। পাহাড়গুলো স্থানচ্যুত হবে এবং মানুষ বুঝতে পারবে, দুনিয়ার সময় শেষ হয়ে গেছে।
কেয়ামতের দিন আকাশের রক্তিম রূপের এই বর্ণনা এক ভয়াবহ দৃশ্যের কথা জানায়। এটি মানুষকে তার চূড়ান্ত পরিণতির কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়। তাই দুনিয়ার জীবনকে স্থায়ী মনে না করে প্রত্যেক মানুষের উচিত আল্লাহর আনুগত্য করা, অন্যায় থেকে দূরে থাকা এবং পরকালের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।