যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে গান আসে তবে অবশ্যই করব

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৪ এএম

গতকাল ছিল রকস্টার জেমসের জন্মদিন। বিশেষ দিন উপলক্ষে আজ প্রকাশ হলো দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের শেষ পর্ব। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তারেক আনন্দ

দীর্ঘদিন ধরে ফটোগ্রাফি করছেন। এই মুহূর্তে কার ছবি তুলতে চান?

এখন অনেক দিন ধরে আবার ফটোগ্রাফি বন্ধ আছে। প্রায় দুই বছর ধরে ছবি তোলার মধ্যে নেই।

ভক্তরা আপনাকে ‘গুরু’ ডাকেন। সংগীত জীবনে আপনার গুরু কে?

মিউজিকে তো প্রচুর মানুষ আছেন। কার কথা ছেড়ে কার কথা বলব! প্রচুর ইনফ্লুয়েন্স আছে, প্রচুর।

আপনার গাওয়া নিজের প্রিয় গান কোনটি?

নিজের প্রিয় গান বলতে যেগুলো এখন করতেছি, এগুলোই। তবে বিশেষভাবে বলতে গেলে শামসুর রাহমানের কবিতা থেকে যে গানটি করেছিলাম ‘তারায় তারায়’। এটা আমার প্রিয়। কারণ রাহমান ভাইয়ের সঙ্গে আমার কিছু সুন্দর স্মৃতি আছে।

শো ছাড়া কি নিয়মিত রেওয়াজ, প্র্যাকটিস করা হয়?

অবশ্যই, প্র্যাকটিস তো করতেই হয়। স্টুডিওতে আমাদের সপ্তাহে দুই দিন প্র্যাকটিস থাকে।

এখন কাদের গান শোনেন?

এই মুহূর্তে ওইভাবে শোনা হচ্ছে না। গাড়িতে ছাড়া আর শোনা হয় না। স্পোটিফাই চালিয়ে দিই, আমি নিজেও জানি না কার গান বাজছে।

হঠাৎ যদি দুটি লাইন মাথায় আসে, তখন কি সেটা লিখে রাখেন?

না লিখে রাখা হয় না।

ভক্তরা সব সময় আপনার কাছে নতুন গান শুনতে চান। নতুন গান প্রকাশের কোনো পরিকল্পনা আছে কি?

অবশ্যই নতুন গান করার ইচ্ছা ও পরিকল্পনা আছে। তবে কনসার্ট, দেশ-বিদেশের ট্যুর এবং লাইভ শোর ব্যস্ততা যাচ্ছে। সবকিছু সামলে স্টুডিওতে নতুন গান রেকর্ড করার মতো পর্যাপ্ত সময় বের করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে গান আসে, তবে অবশ্যই করব।

অনেকেই বলেন পুরো মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি একদিকে, আর জেমস একা আরেকটা ইন্ডাস্ট্রি। এত মানুষের প্রত্যাশার যে জায়গা, এক্ষেত্রে নতুন গান প্রকাশে কি চাপ অনুভব করেন?

এই চাপের জন্যই তো গানবাজনা করতেছি না এখন (হাসি)। যখন চাপমুক্ত হব, তখন করব।

আমাদের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে?

ফটোগ্রাফির উদাহরণ দিয়ে যদি বলি তাহলে ভালো বোঝা যাবে। ফটোগ্রাফি একসময় বিশাল ব্যাপার ছিল, কিন্তু এখন সেটা ওভার-স্যাচুরেটেড হয়ে গেছে। যার হাতে মোবাইল সেই ফটোগ্রাফার। ঠিক তেমনি মিউজিকও এখন একদম স্যাচুরেটেড হয়ে গেছে। অতিরিক্ত মিউজিক হয়ে গেছে।

নতুনদের জন্য আপনার কোনো দিকনির্দেশনা?

প্যাশন থেকে কাজ করো। কোনো ফায়দা বা পাওয়ার চিন্তা করে যদি কেউ করতে চায়, তবে বলব গান-বাজনা একদম বন্ধ করে দাও। ফায়দা যদি এসে যায় তো এসে গেল। কিন্তু কাউকে দেখে বা অনুকরণ করে করতে গেলে হতাশ হতে হবে। আর প্রযুক্তির কথা বললে, যারা মিউজিশিয়ান তারা যদি সুন্দর করে প্রযুক্তি বা এআই ইউজ করতে পারে, হোয়াই নট? নতুন যেকোনো কিছু একশো বার ব্যবহার করা উচিত।

আবার একটু আইয়ুব বাচ্চু প্রসঙ্গে আসি। বাচ্চু ভাই ফিলিংস ছাড়ার পর কি আপনার সুযোগটা এসেছিল, নাকি তার আগেই?

না না না, তার অনেক আগেই।

আইয়ুব বাচ্চুর সঙ্গে সর্বশেষ কী কথা হয়েছিল? শেষ দেখা কবে কোথায় ছিল?

সেটা আসলে বলতে চাই না। শেষ দেখা হয়েছিল চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে, মনে হয় সেটাই শেষ দেখা ছিল।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত