ফিরেই নেইমারের ম্যাজিক

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৪ এএম

নেইমার জুনিয়র যখন ফিরলেন, ততক্ষণে জয় থেকে অনেক দূরে সান্তোস, উল্টো ম্যাচ বাঁচানোই দায়। তবে চোট কাটিয়ে ফিরেই দেখালেন নাটকীয় এক প্রত্যাবর্তন। ফ্ল্যামেঙ্গোর বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে থাকা সান্তোসকে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ২-২ ড্র উপহার দিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।

প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে প্রথম আঘাত হানেন সাবেক সান্তোস তারকা দানিলো (৪৪তম মিনিট)। এর ঠিক পরপরই বিরতির ঠিক আগে লুকাস পাকেতার হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফ্ল্যামেঙ্গো। প্রথমার্ধে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে যখন কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল স্বাগতিকরা, তখন দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ফিলিপ কুতিনহোর বদলি হিসেবে নামেন নেইমার। দীর্ঘদিন পর মাঠে ফিরে নিজের ডান পায়ের ব্যবহারে বেশ সতর্ক ছিলেন নেইমার। ফ্রি-কিকগুলো বাঁ পায়েই নেন, যদিও পেনাল্টি শটগুলো নেন ডান পায়েই। এর আগে মাঠে নামার কিছুক্ষণের মধ্যে আলাদা দুটি ঘটনায় প্রতিপক্ষ দলের পাকেতা এবং রেফারির সঙ্গে তর্কবিতর্কে জড়িয়ে হলুদ কার্ডও দেখেন তিনি। তবে মাঠে তার উপস্থিতিতেই ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে সান্তোসের খেলার গতিপ্রকৃতি।

ম্যাচের সেই নাটকীয়তার আবির্ভাব হয় শেষ ১০ মিনিটে। ৮২ মিনিটে ফ্ল্যামেঙ্গোর মিডফিল্ডার জর্জিনহো বক্সের ভেতর হ্যান্ডবল করলে ভিএআর পর্যালোচনার ডাক দেন রেফারি। প্রায় ১০ মিনিটের সেই বিতর্কিত রিভিউ শেষে পেনাল্টির বাঁশি বাজানোর পাশাপাশি লাল কার্ড দেখানো হয় জর্জিনহোকে। ঠা-া মাথায় সেই পেনাল্টি থেকে নিখুঁত শটে ব্যবধান কমান নেইমার।

এদিকে ১০ জনের ফ্ল্যামেঙ্গোর রক্ষণ তখন বড় চাপের মুখে পড়ে। এর পূর্ণ সুযোগ নিয়ে ৮৭ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল বারবোসা বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হলে আবারও পেনাল্টি পায় সান্তোস। সেখানে স্পট কিক থেকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের সমতাসূচক গোলটি করতে কোনো ভুল করেননি নেইমার। শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের ড্র নিয়েই মাঠে ছাড়ে লিগে টানা জিতে আসা দল দুটি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত