দুর্নীতি মামলায় সাবেক সহকারী কর কমিশনারের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক আব্দুস সালাম এ রায় দেন।

রায়ে শ্যামল কৃষ্ণ দাসের অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫২২ টাকার সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পর তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৩ মে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন।

শ্যামল কৃষ্ণ দাস জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর অঞ্চল ময়মনসিংহে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি অবসরে রয়েছেন। ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকে নিজের ও নির্ভরশীলদের নামে থাকা যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা এবং আয়ের উৎসের বিস্তারিত বিবরণী জমা দেন তিনি।

সম্পদ বিবরণীতে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮১৭ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন শ্যামল কৃষ্ণ দাস। এর সঙ্গে ৩১ লাখ ১৩ হাজার ২০০ টাকার পারিবারিক ব্যয় যোগ করে মোট সম্পদের হিসাব দাঁড়ায় ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৭ হাজার ১৭ টাকা। এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ১ কোটি ১৯ লাখ ১ হাজার ২২৫ টাকা। বাকি ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার সম্পদের বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া যায়নি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান শ্যামল কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত