আমি চাই দর্শক ‘ক্যাফে আমব্রেলা’ দেখুক, উপভোগ করুক

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৮ এএম

লাক্স সুপারস্টার খেতাব জয়ের পর ওটিটিতে অভিষেক হলো বিদুষী বর্ণিতার। নির্মাতা শিহাব শাহীনের ওয়েব ফিল্ম ‘ক্যাফে আমব্রেলা’র মাধ্যমে অভিনয়ে নতুন পথচলা শুরু করেছেন এই অভিনেত্রী। ইমপ্রেস টেলিফিল্মের প্রযোজনায় এবং লাক্সের আয়োজনে নির্মিত এই ওয়েব ফিল্মটি সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনে। জীবনের প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা, শুটিংয়ের স্মৃতি এবং আগামীর ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তারেক আনন্দ

প্রথম সিনেমা মুক্তি পেল। আপনার এই পুরো জার্নিটা কেমন ছিল?

আমার জন্য পুরো জার্নিটাই খুব স্পেশাল। ছোটবেলায় অভিনয় করেছি, তারপর একটা বিরতি ছিল। এরপর লাক্স সুপারস্টারের মাধ্যমে আবার নতুন করে এই জগতে ফেরা, আর তারপরই ‘ক্যাফে আমব্রেলার’ মতো একটা কাজের অংশ হতে পারা সব মিলিয়ে ব্যাপারটা আমার জন্য খুব এক্সাইটিং। বিশেষ করে শিহাব শাহীন স্যারের মতো একজন পরিচালকের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাওয়া, এটা আমার জন্য অনেক বড় একটা শেখার অভিজ্ঞতা ছিল।

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা, সহশিল্পীদের সঙ্গে কাজের স্মৃতি কেমন?

শুটিংয়ের সময় অনেক কিছু শিখেছি। ‘সামিরা’ চরিত্রটা করার অভিজ্ঞতাও আমার জন্য বেশ ইন্টারেস্টিং ছিল। একটা চরিত্রকে বোঝা, তার জায়গা থেকে চিন্তা করা, তার অনুভূতিগুলো নিজের মধ্যে ধারণ করে পর্দায় ফুটিয়ে তোলা এই পুরো প্রসেসটা আমার খুব ভালো লাগে। আর নাযাহ, আমিনার সঙ্গে আবার একসঙ্গে কাজ করতে পারাটাও খুব আনন্দের ছিল। লাক্সের সময় আমাদের যে স্মৃতি, সেটা কাজের মাধ্যমে আরও সুন্দরভাবে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ হয়েছে।

মুক্তির পর কেমন লাগছে? দর্শকের কাছে কতটা প্রত্যাশা করছেন?

মুক্তির পর অবশ্যই একটা অন্যরকম এক্সাইটমেন্ট কাজ করছে। শুটিংয়ের সময় আমরা জানি, কতটা পরিশ্রম করে একটা কাজ তৈরি হচ্ছে, কিন্তু সেটা যখন দর্শকের সামনে আসে, তখন তাদের প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য একটা আলাদা আগ্রহ থাকে। কে কীভাবে দেখছেন, কোন বিষয়টার ভালো লাগছে, এসব জানতে খুব ভালো লাগে। প্রত্যাশা তো অবশ্যই আছে, তবে আমি চাই দর্শক কাজটা দেখুন, উপভোগ করুন, আর আমাদের কাজের সঙ্গে কানেক্ট করতে পারুন।

সামনে নিজেকে কীভাবে দেখতে চান, আগামীর পরিকল্পনা কী?

সামনে আমি আসলে অনেক কিছু শিখতে চাই। আমি জানি, আমার এখনো অনেক কিছু শেখার বাকি। এমন চরিত্রে কাজ করতে চাই, যেগুলো আমাকে একটু চ্যালেঞ্জ করবে, নিজের কমফোর্ট জোন থেকে বের হতে সাহায্য করবে। আমি চাই, প্রতিটি কাজের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে একটু একটু করে আরও ভালো অভিনেত্রী হিসেবে তৈরি করতে। আর এমন কিছু কাজ করতে চাই, যেগুলো মানুষ অনেক দিন মনে রাখবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত