সিলেটের বিপক্ষে জয়ের জন্য চট্টগ্রামের লক্ষ্য ছিল ২২৭ রান। ঘরের মাঠে তৃতীয় দিনেই মাহমুদুল হাসান জয়কে হারালেও ১২৬ রান তুলে ফেলেছিলে চট্টগ্রাম। সাদিকুর রহমান অপরাজিত ছিলেন ৫৮ রান।
আজ চতুর্থ দিন শাহ পরান ও শাহাদত হোসেন দীপুকে হারালেও সহজ জয়ের দিকে ছিল তারা। কিন্তু হঠাৎ নাসুম আহমেদ আর শাহনুর রহমানের স্পিনে ধস নামে চট্টগ্রামের ইনিংসে। ২১০ রানের মাথায় সেঞ্চুরিয়ান সাদিকুরও নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়ে যান। তবে শেষ পর্যন্ত আশরাফুল হাসান রোহান আর সানজিদ মজুমদারের দৃঢ়তায় ১ উইকেটের জয় ছিনিয়ে নেয় চট্টগ্রাম।
পাঁচ ঘণ্টার ওপর ব্যাটিংয়ে ২০৮ বলে ৯ ছক্কা এই এনসিএলে তৃতীয় সেঞ্চুরি করেন সাদিকুর। সব মিলিয়ে ৩৩ ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচে সেঞ্চুরির সংখ্যা দাড়ালো তার ৬টি।
পাঁচ ম্যাচে দ্বিতীয় জয়ে ২১ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে চট্টগ্রাম। রংপুর ও ঢাকার সঙ্গে খেলা বাকি তাদের। সিলেটের পয়েন্ট ১৪। তাদের খেলা বাকি রাজশাহী ও বরিশালের সঙ্গে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
শেষপর্যন্ত খুলনারই জয়
২৮৮ রান করা খুলনা ময়মনসিংহকে ১০৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে ফলোঅনে ফেলেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে আল আমিনের সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাড়ায় ময়মনসিংহ। ৩১৯ রান তুলে ১৪০ রানের টার্গেট দেয় খুলনাকে। তবে খুলনা সেই রান তুলে ৮ উইকেটের জয় পেয়েছে, যা তাদেরকে লিগের শীর্ষেই রেখেছে (২৫ পয়েন্ট)।
খুলনা স্টেডিয়ামে ৯ উইকেটে ৩১৫ রান নিয়ে শেষ দিনের সকাল শুরু করা ময়মনসিংহ আর ৪ রান তুলেই অলআউট হয়ে যায়। আজিকুল হাকিম তামিমকে নিয়ে এনামুল হক বিজয় গড়ে তোলেন ৮৭ রানের জুটি। রানআউটে তামিম বিদায় নিলেও ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন বিজয়। ৮০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
রংপুরের এটি তৃতীয় জয়। রংপুর ও ঢাকার সঙ্গে ম্যাচ বাকি তাদের।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রংপুরের প্রথম জয়
গতবারের চ্যাম্পিয়ন রংপুর এবার প্রথম জয়ের মুখ দেখেছে। বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে রাজশাহীকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে তারা। প্রথম ইনিংসে ২৫৬ রান করে মাত্র ২৫ রানের লিড নিয়েছিল রংপুর। দ্বিতীয় ইনিংসে বড়ো ইনিংসের ইঙ্গিত দিয়েছিল রাজশাহী তৃতীয় দিন শেষে ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলে। কিন্তু চতুর্থ দিন আর মাত্র ৭৪ রানেই তাদেরকে অলআউট করে দেয় রংপুরের মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, আলাউদ্দিন বাবুরা।
জয়ের জন্য ১৪১ রান তুলতে গিয়েই ৪ উইকেট হারায় রংপুর। তবে বাকি ১৯ রান তুলতে কোনো সমস্যা হয়নি তাদের। মিম মোসাদ্দেক ৬১ রান তুলেছেন। তবে ম্যাচ সেরা ৭ উইকেট শিকারী পেসার মেহেদী হাসান।
৫ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট পাওয়া রংপুরের চট্টগ্রাম আর খুলনার সঙ্গে খেলা বাকি।