পারিবারিক সম্পর্ক দৃঢ় করার আহ্বান জামায়াত আমিরের

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৭ পিএম

শিশুদের বিনোদন, সৃজনশীলতা বিকাশ এবং চিকিৎসক পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক দৃঢ় করার লক্ষ্যে ‘কিডস ফেস্টিভ্যাল ও ফ্যামিলি গেট টুগেদার সিজন ২’ আয়োজন করেছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ।

শনিবার (৭ নভেম্বর) পূর্বাচলের সি শেল রিসোর্টে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি এবং ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামি চিন্তাবিদ মুফতী আলী হাসান উসামা।

আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এবং জিএস এসএম ফরহাদ।

এনডিএফ ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মারুফ শাহরিয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সেক্রেটারি ডা. নুর উদ্দীন তালুকদার। দিনব্যাপী আয়োজনে শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইড, কিডস জোন ও খেলাধুলার ব্যবস্থা ছিল। পাশাপাশি পিঠা উৎসব, নাটিকা, সংগীত পরিবেশনা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের সদস্যদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চিকিৎসকদের পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও পরিবার ও সন্তানদের জন্য সময় বের করা প্রয়োজন। এ ধরনের আয়োজন পারিবারিক সম্পর্ক দৃঢ় করার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি বাড়াতে সহায়তা করে।

বিশেষ অতিথি নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, চিকিৎসকদের মধ্যে পারিবারিক ও সামাজিক যোগাযোগ বাড়াতে এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, শিশুদের প্রতিভা, চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা বিকাশের জন্য আনন্দময় পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, কর্মব্যস্ত চিকিৎসকদের মানসিক প্রশান্তি এবং পরিবারের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করে এ ধরনের আয়োজন।

প্রধান আলোচক মুফতী আলী হাসান উসামা বলেন, সুন্দর ও আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে আদর্শ পরিবারের গুরুত্ব অপরিসীম। শিশুদের নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. মারুফ শাহরিয়ার বলেন, চিকিৎসক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোই এ আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত