যুক্তরাষ্ট্রে যেসব বিদেশি ভ্রমণকারী তাদের চিকিৎসাসেবার খরচের জন্য দেশটির সরকারি সহায়তা ব্যবহার করেন, তারা তাদের ভিসার শর্তাবলির অপব্যবহার করছেন। ঢাকায় দেশটির দূতাবাস গতকাল শনিবার এক ফেসবুক পোস্টে এ কথা বলেছে।
দূতাবাস বলছে, ‘যদি আপনি সরকারি সহায়তার অপব্যবহার করেন অথবা অন্য কোনোভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, তবে ভবিষ্যতে আপনার যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের যোগ্যতা বাতিল হতে পারে।’
ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন চলতি বছরের জানুয়ারির এক প্রতিবেদনে জানায়, দেশটিতে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের ৫৪ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবার সেখানকার সরকারি সুবিধা নেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসীদের মধ্যে কোন দেশের নাগরিকরা বেশি সরকারি সহায়তা (ওয়েলফেয়ার) নিচ্ছেন, তার একটি তালিকা প্রকাশ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। নিজের সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ অভিবাসীদের সরকারি সহায়তা গ্রহণ করা বিষয়ে তার দেওয়া ১২০টি দেশ ও অঞ্চলের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৯তম।
‘ইমিগ্র্যান্ট ওয়েলফেয়ার রেসিপিয়েন্ট রেটস বাই কান্ট্রি অরিজিন’ শিরোনামের ওই তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার আরও চারটি দেশের নাম রয়েছে। এর মধ্যে ভুটানের অভিবাসী পরিবারগুলোর ৮১ দশমিক ৪ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আর্থিক সহায়তা নেয়। সহায়তা নেওয়ার ক্ষেত্রে সব দেশের অভিবাসীদের মধ্যে ভুটানের অভিবাসীরা শীর্ষে। অন্য দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান ষষ্ঠ অবস্থানে ৬৮ দশমিক ১ শতাংশ পরিবার, পাকিস্তান ৬০তম অবস্থানে ৪০ দশমিক ২ শতাংশ পরিবার এবং নেপাল ৯০তম অবস্থানে ৩৪ শতাংশ ৮ শতাংশ পরিবার সরকারি সহায়তা গ্রহণ করে।
ট্রাম্পের তালিকাটিতে ভারত ও শ্রীলঙ্কার নাম নেই। যুক্তরাষ্ট্রে দেশ দুটি থেকে প্রবাসী পরিবারগুলো সহায়তা কম নেওয়ায় এমনটি হয়ে থাকতে পারে, সংশ্লিষ্টরা এমনটি মনে করেন।