রাষ্ট্রের রূপান্তরের আকাঙ্ক্ষাই ৭ নভেম্বর

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৭ এএম

‘ক্ষমতা দখল নয়, বরং রাষ্ট্রের রূপান্তরের আকাক্সক্ষাই ৭ নভেম্বর’ এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ঐতিহাসিক ‘সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ পালন করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি।

গতকাল শনিবার বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন বক্তারা।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মিয়া বলেন, ‘ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর কেবল ক্ষমতার মসনদে বসার জন্য সংঘটিত হয়নি। বরং রাষ্ট্রের রূপান্তরের গভীর আকাক্সক্ষা থেকেই সেদিন সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীন দেশ প্রতিনিয়ত বিপথগামীদের হাতে চলে যাচ্ছিল এবং রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছিল ব্রিটিশ-পাক আমলের পুরনো রীতিনীতিতে। ফলে ঐতিহাসিক দায় থেকেই ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা রাষ্ট্রকাঠামো রূপান্তরের আশায় এই অভ্যুত্থান করেছিল, যা পরে বিশ্বাসঘাতকতার কারণে ব্যর্থ হয়। আর এই ব্যর্থতার ফল আজও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে।’

সভাপতির বক্তব্যে জেএসডির স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট কেএম জাবির বলেন, ‘সেদিন সংঘটিত সেই অভ্যুত্থান যদি ব্যর্থ না হতো, তবে আজকের বাংলাদেশ হতো শ্রমিক, কৃষক ও সাধারণ মেহনতি মানুষের। তবে ইতিহাস একদিন এ সত্যকে স্পষ্টভাবে সামনে আনবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী। তিনি বলেন, ‘ইতিহাস অস্বীকার করা যায়, কিন্তু ইতিহাস বদলানো যায় না। ইতিহাসের সঠিক সত্য ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেএসডির স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. তৌহিদ হোসেন, এসএম সামসুল আলম নিক্সন, আবদুল মান্নান মুন্সি, কামরুল আহসান অপু, আজিম হোসেন মানিক, সাহানা সুলতানা, ইলোরা খাতুন সোমা ও আনিছা রত্না প্রমুখ।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত