অ্যাসেট ট্রিপল-‘এ’ এশিয়া ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যাওয়ার্ড ২০২০-এ সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের দুইটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের প্রকল্প অর্থায়ন ‘দক্ষিণ এশিয়ার বছরের সেরা চুক্তি’ পুরস্কার অর্জন করেছে। পুরস্কার দুটি হলো- ‘অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ডিল অফ দ্য ইয়ার’ এবং ‘পাওয়ার ডিল অফ দ্য ইয়ার’। প্রকল্প অর্থায়নের ক্ষেত্রে সেরা চুক্তির কারণে সামিট বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক দরে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং এলএনজি সরবরাহ করতে পারছে।
সামিট এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি লিমিটেডের ৯ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের ঋণ অর্থায়ন ‘অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ডিল অফ দ্য ইয়ার’ সম্মাননা অর্জন করেছে। জাপানের সুমিতোমো মিতসুই ব্যাংকিং করপোরেশন (এসএমবিসি) এই অর্থায়নে প্রধান উদ্যোক্তার ভূমিকা পালন করেছে। এটি বাংলাদেশের প্রথম এলএনজি খাতের লেনদেন যা নন-রিকোর্স ভিত্তিতে একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ব্যাংক সম্পূর্ণ অর্থায়ন করেছে। বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর বাণিজ্যিক ব্যাংকিং সেবার আওতায় এটি একটি বড় ধাপ।
এছাড়া, নির্মাণাধীন সামিট মেঘনাঘাট ২ পাওয়ার কোম্পানি ৩৫ কোটি মার্কিন ডলারের দ্বৈত-কিস্তিভিত্তিক ঋণলাভের জন্য ‘পাওয়ার ডিল অফ দ্য ইয়ার’ অর্জন করেছে। সামিট গ্রুপ এবং জিই ক্যাপিটাল এক্ষেত্রে প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিল। সহযোগী ঋণদাতা ছিল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি)। সুইস এসইআরভি হলো এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সি যারা কাঠামোগত অর্থায়ন এবং সমন্বয়ক ব্যাংক হিসেবে এই লেনদেনে ভূমিকা পালন করেছে। এই প্রকল্প অর্থায়নটি বাংলাদেশের স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে সুইস এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সির প্রথম ও সর্বোচ্চ সহায়তাপ্রাপ্ত লেনদেন। জিই গ্যাস পাওয়ার বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য টার্নকি চুক্তির ভিত্তিতে কাজ করছে, এবং প্রকল্পটির নকশা, সরঞ্জাম সরবরাহ এবং ইনস্টলেশন ও কমিশনারিংয়ের কাজগুলোর জন্য দায়বদ্ধ। কম্বাইন্ড সাইকেলের এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে জিইর রেকর্ডকৃত এবং সবচেয়ে কার্যকরী হেভি-ডিউটি গ্যাস টারবাইন ৯এইচএ ইঞ্জিন ব্যবহৃত হবে যা দেশের সাত লাখ গৃহস্থালি, শিল্পে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হবে।
ছবি ক্যাপশন: সামিট এলএনজি এবং সামিট মেঘনাঘাট ২ পাওয়ার-এর প্রকল্প অর্থায়ন ‘দক্ষিণ এশিয়ার বছরের সেরা চুক্তির’ পুরস্কার অর্জন করেছে।