কৃত্রিম তন্তু ও তৈরি পোশাকের ভবিষ্যৎ বাজার

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৩৩ এএম

উন্নয়নের পথপরিক্রমায় বাংলাদেশ অনেক ভোগ্যপণ্য উৎপাদনে মর্যাদার আসন দখল করতে সক্ষম হয়েছে। সবজি, ধান ও মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে তার অবস্থান যথাক্রমে ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম। তৈরি-পোশাক রপ্তানিতে দেশ দীর্ঘদিন ধরে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছিল, এখন ভিয়েতনাম সে স্থান দখল করতে চলেছে, যদিও প্রথম স্থান অধিকারী চীনের সঙ্গে রপ্তানির পরিমাণ ও মূল্যের ব্যবধান আকাশ-পাতাল। কিন্তু দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ক্ষেত্রে এই খাতের ধারেকাছে কারও স্থান নেই; দীর্ঘদিন ধরে রপ্তানি আয়ের আশি শতাংশেরও বেশি আসছে এই খাত থেকে।

তন্তু বা আঁশ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এদেশের জন্য নতুন কিছু নয়; পাকিস্তানের জন্মলগ্ন থেকে শিল্পায়নের জন্য যে মহামূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হয়, তার সিংহভাগের জোগান দিয়ে আসছিল বাংলার সুবিখ্যাত

প্রাকৃতিক আঁশ, যার নাম পাট। তৎকালীন পূর্ববাংলার এই উদ্ভিজ্জ তন্তুটি বৈদেশিক মুদ্রা রোজগারে এতটাই করিৎকর্মা হয়ে গিয়েছিল যে, তাকে আমরা আদর করে নাম দিয়েছিলাম ‘সোনালি আঁশ’। কোরিয়ার যুদ্ধের সময় আন্তর্জাতিক বাজারে এই সোনালি আঁশ আরও মহার্ঘ্য হয়ে ওঠে, যদিও তাতে এদেশের তেমন কোনো লাভ হয়নি; অর্থের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার ধুয়া তুলে সব মুদ্রা চালান করা হতো পশ্চিম অংশে বড় বড় শিল্প কারখানা স্থাপনকল্পে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব কিছুরই পরিবর্তন হয়; সিনথেটিক আঁশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে পাটও তার গৌরব হারায়। দেশে তখন পাটের ভূমি দখল করে নেয় ধান, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পথও সংকুচিত হয়ে পড়ে। কিন্তু আশির দশকে আরেক উদ্ভিজ্জ তন্তু তুলা সামনে চলে আসে; তুলা এদেশের প্রধান কোনো কৃষিপণ্য নয়; তবে আমদানি করা তুলা নির্ভর তৈরি-পোশাক শিল্পের বিকাশ এবং তার রপ্তানি দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারীর দায়িত্ব নিয়ে নেয়। এই অতিমারীর মধ্যেও বিগত ২০২০-২১ অর্থবছরে এ খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিমাণ ৩১.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ছাড়াও দেশে কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে এ শিল্পের অবদান অসামান্য। বিগত চার দশক এই শিল্প যেভাবে অর্থনীতিতে ভূমিকা রেখেছে, তাকে যদি আগামীতে একই রকম দায়িত্ব পালন করতে হয়, তবে সেখানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন, সংস্কার ও সংশোধন আনয়ন অপরিহার্য। মুক্ত বিশ্বে ভোক্তার রুচি, পছন্দ ও সচেতনতা পণ্যের চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করে। আর এগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়; ফ্যাশন ও পোশাক-পরিচ্ছদের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন আরও দ্রুততর।                  

ফ্যাশন ও পোশাক-পরিচ্ছদের ক্ষেত্রে ২০০০ সাল পরবর্তী সময়ে একটা বড় পরিবর্তন শুরু হয়; মানুষের পরিধেয় তৈরিতে মনুষ্য-সৃষ্ট তন্তুর (সধহ-সধফব ভরনৎব, সসভ) ব্যবহার ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পায়। প্রাকৃতিক তুলার বস্ত্রের চেয়ে ‘এমএমএফ’ কাপড়ের সুবিধা অনেক বেশি। যেমন এটা অনেক টেকসই, স্থিতিস্থাপক, শক্ত, দামে সস্তা, কিন্তু দেখতে সুন্দর; ধোয়ার পর এর সংকোচন হয় না, রং বিবর্ণ হয় না, উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে কোনো সমস্যা নেই। পেট্রো-কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি হওয়ায় প্রকৃতি-নির্ভর ফসলের মতো এর উৎপাদন-অভিঘাতের কোনো আশঙ্কা নেই, এতে পোশাকের মান ও ডিজাইনও করা যায় চমৎকার এবং নিখুঁত। বর্তমান মহামারীর সময়ে এই পণ্যের অণুজীব বিরোধী ক্ষমতা এবং দ্রুত শুকিয়ে যাওয়ার বৈশিষ্ট্যের কারণে এর চাহিদায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, এটা পরিবেশবান্ধব; তুলা উৎপাদনে পর্যাপ্ত পানির প্রয়োজন হয়। একজন মানুষের একটি টি-শার্ট তৈরিতে যে পরিমাণ তুলার প্রয়োজন হয়, তা উৎপাদনে ২৭০০ লিটার পর্যন্ত পানি লাগে যায়। এখানেই শেষ না, প্রাকৃতিক তুলার কাপড় রং করা এবং তা ধৌতকরণেও অনেক পানি খরচ করতে হয়। তাছাড়া, অনেক ‘এমএমএফ’ তৈরিতে পরিবেশ দূষণকারী প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবহার করা হয়; পরিশোধন ও রিসাইক্লিং প্রক্রিয়ায় এভাবে জঞ্জাল সম্পদে রূপান্তরিত হয়। বিশ্বব্যাপী সচেতন ভোক্তারা আজ ধরিত্রীর দূষণবিরোধী সবুজ আন্দোলনে একাট্টা; পরিধেয় ভোগের চাহিদাতেও তার প্রতিফলন ঘটছে; কমছে সুতি কাপড়ের চাহিদা, আর বাড়ছে ‘এমএম-ফেব্রিক্স’-এর কদর।

বিশ্বে ২০১৮ সালে যে পরিমাণ তন্তু ভোগ করা হয়, তার মধ্যে সিনথেটিক ফাইবার ৬২.৫০ শতাংশ নিয়ে প্রথম অবস্থানে এবং তুলা ২৫.৩০ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। বাকি অংশ ছিল উদ্ভিজ্জ, পশমি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক তন্তুর দখলে। কিন্তু ২০২১ সালে এমএমএফ ও তুলার ফেব্রিক্স ব্যবহারের অনুপাত দাঁড়ায় ৭৩:৩০। লেঞ্জিং রিপোর্ট ২০২০ অনুযায়ী ২০৩০ সালে বিশ্বে ফেব্রিক্সের মোট ভোগ গিয়ে দাঁড়াবে ১৪০ মিলিয়ন টন, যার মধ্যে এমএমএফ-এর পরিমাণ হবে ১০৮ মিলিয়ন টন। এটা এমএমএফ-এর টেকসই ভোগের ইঙ্গিত দেয়।   

কিন্তু এমএমএফ ভিত্তিক পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এদেশের পোশাক শিল্পের বয়স প্রায় অর্ধ শতাব্দী হলেও তাতে বৈচিত্র্য তেমন আসেনি; যদিও শিল্পের কর্মপরিবেশ ও সবুজ মানদণ্ড প্রতিপালনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এখনো দেশের এই প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্পটি প্রধানত প্রাকৃতিক সুতার ঘূর্ণনে ঘুরপাক খাচ্ছে; তাও আবার মাত্র পাঁচটি সস্তা প্রাথমিক পণ্য উৎপাদনের মধ্যে; উচ্চমূল্য পণ্যের সমাবেশ সেখানে নেই বললেই চলে। বিশ্বে যেখানে এমএমএফ ও প্রাকৃতিক তুলা নির্ভর পোশাক পণ্যের ভোগের অনুপাত ৭৮:২২, সেখানে বাংলাদেশে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে এই তন্তু দুইটির অবদান ঠিক উল্টো; যথাক্রমে ৩০ ও ৭০ ভাগ। ২০১৯ সালে বিশ্বে এমএমএফ ফেব্রিক্সের ১৭৯ বিলিয়ন ডলারের যে বাণিজ্য হয়, সেখানে বাংলাদেশের অংশ ছিল মাত্র ৫ শতাংশ, পক্ষান্তরে প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনামের অংশ সেখানে ছিল ১০ শতাংশ।

রপ্তানি আয়ের দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশের রপ্তানি ঝুড়িতে পণ্যের বৈচিত্র্য আনা অপরিহার্য। সে লক্ষ্যে সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বটে, কিন্তু সহসা তৈরি পোশাক খাতকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মতো অন্য কোনো সেক্টর আপাতত দৃশ্যমান নয়। সেজন্য তৈরি পোশাক শিল্পকে পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে আধুনিকায়ন ও যুগোপযোগী করতে হবে এবং তার পুষ্টি সাধন করতে হবে।

এখন দেশে চার পাঁচটা সুতার কল সিনথেটিক ফাইবার উৎপাদন করছে, বাকিরা সিনথেটিক ফাইবার আমদানি করে কিছু ফেব্রিক্স ও পোশাক উৎপাদন করছে। দেশে তুলার উৎপাদন অপর্যাপ্ত, সে কারণে পোশাক শিল্পের জন্যও তুলা এবং সুতা আমদানি করতে হয়। কাঁচা ও আধা-কাঁচা মাল আমদানি করেই যদি পণ্য উৎপাদন করতে হয়, তবে উচ্চ চাহিদার পণ্য নয় কেন? এক্ষেত্রে বড় সমস্যা হলো নতুন এই পণ্যের প্রযুক্তির অপ্রতুলতা ও প্রযুক্তিতে দক্ষ লোকবলের অভাব এবং অতি উচ্চ প্রযুক্তি-মূল্য। এখন একটি এমএমএফ শিল্প স্থাপনে কমপক্ষে ৪০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন। আধুনিক প্রযুক্তি সুলভ না হওয়ায় দক্ষ কারিগর তৈরি হচ্ছে না, দক্ষ কারিগর না থাকায় এবং আমদানি-করা কৃত্রিম ফাইবার ও ফেব্রিক্স অনুন্নত কারখানায় সেলাই করে মানসম্মত ফ্যাশন সামগ্রী ও পোশাক তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না। এই পুঁজি ও প্রযুক্তির জন্য এই খাতে জরুরি ভিত্তিতে যৌথ উদ্যোগ বা সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। তাতে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ কারিগর তৈরি এবং অর্থায়নের অভাব দূর হবে। 

মোট মূল্য বিবেচনায় ভারত তৈরি পোশাক রপ্তানিতে আমাদের পেছনে, কিন্তু সে বছরে ১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের সিনথেটিক ফাইবার পোশাক রপ্তানি করে। এই পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিগত অর্থবছর প্রতিবেশী দেশটির অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বাজেট বক্তৃতার সময় পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে ৭টি বৃহৎ নিবেদিত টেক্সটাইল পার্ক স্থাপনের ঘোষণা দেন। তাছাড়া, তিনি এ খাতে দশ হাজার ছয়শ রুপিরও বেশি অর্থ ইনসেনটিভ হিসেবে বিতরণ করার প্রতিশ্রুতি দেন। আমাদের দেশেও বিজিএমইএ এবং বিটিএমএর নেতারা বাজার দখল করার জন্য এমএমএফ ফাইবার নির্মিত তৈরি পোশাক রপ্তানির ওপর নগদ অর্থ সহায়তা চাচ্ছেন। তাদের দাবি, এই ইনসেনটিভ দেওয়া হলে স্বল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ অতিরিক্ত ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করতে পারে।

শুরু থেকেই সরকার তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য অনেক নীতি এবং অর্থ সহায়তা দিয়ে আসছে। এই অতিমারীর সময়েও এর ব্যত্যয় হয়নি। ফলে এই শিল্প ও শিল্পের মালিক এবং শ্রমিকদের অধিকাংশের জন্য অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া সহজতর হয়েছে। তবে একতরফাভাবে দীর্ঘদিন ধরে ইনসেনটিভ দেওয়া হলে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার বিকাশে তা প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করে; অনেক সময় অর্থেরও অপচয় হয়। সেজন্য এই পণ্যের বাজারে দেশের অংশীদারত্ব বাড়াতে অর্থ সহায়তার যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করে দেখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

আমার মনে হয় নগদ অর্থ সহায়তার চেয়ে বেশি কার্যকর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সহজে ব্যবসা করার সূচকে পর্যাপ্ত উন্নতি সাধন। কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরে যাত্রীদের কভিড পরীক্ষার এক যুগান্তকারী নির্দেশ দিয়েছেন। এতে বিদেশগামী যাত্রীদের ভোগান্তি অনেক কমে গিয়েছে। ব্যবসায়ীদের প্রাতিষ্ঠানিক সেবাদানের ক্ষেত্রেও এই জাতীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে মানুষের ভোগান্তি কমবে, উৎসাহ বাড়বে, সহজে ব্যবসা করার সূচকের দ্রুত উন্নতি ঘটবে এবং সর্বোপরি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে। তাছাড়া, উৎপাদনধর্মী যে কোনো ব্যবসায়ে টেকসই উন্নতির জন্য প্রয়োজন উদ্ভাবন, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ এবং দক্ষতার উন্নয়ন সাধন। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া; এজন্য উৎপাদন ও বিপণনের ক্ষেত্রে গবেষণা ও উন্নয়ন একটি অপরিহার্য অঙ্গ। দেশের দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের শিল্পপতিদের কাছে বোধ হয় এই বিষয়টি আর অপরিষ্কার নয়। সরকার এই কাজে পর্যাপ্ত সহায়তা ও ইনসেনটিভ দিলে চমৎকার ফললাভ সম্ভব হতে পারে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক তৎপরতার গুরুত্ব অনেক। বিদেশের মাটিতে দেশের বেসরকারি খাতের স্বার্থ সংরক্ষণ ও সমুন্নত করার জন্য উন্নত বিশ্বের রাষ্ট্রনায়করা কী রকম জোরালো ভূমিকা পালন করে থাকেন, তার বড় দৃষ্টান্ত ২০০০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফর। ঐ সময় বিল ক্লিনটন এক মার্কিন কোম্পানির স্বার্থে বাংলাদেশ থেকে ভারতে গ্যাস রপ্তানি করার অনানুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। শেখ হাসিনা অবশ্য সে প্রস্তাব কৌশলে নাকচ করে দেন। নিজ দেশের স্বার্থে এই ধরনের প্রস্তাবনা দোষের কিছু না। বাংলাদেশি তৈরি পোশাক পণ্যের একটি বড় গন্তব্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রাকৃতিক তুলাজাত তৈরি পোশাকের ওপর শুল্কের পরিমাণ ১৭ শতাংশ, অথচ এমএমএফ অ্যাপারেলের ওপর করের পরিমাণ ২৭ থেকে ৩৩ শতাংশ। রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও ব্যবসায়িক তৎপরতায় এই জাতীয় শুল্ক ও অনেক অশুল্ক বাধা দূর করা গেলে পণ্যের বাজারের সম্প্রসারণ সহজ হবে। এর জন্য প্রয়োজন সর্বমহলের সমন্বিত পদক্ষেপ ও নিবেদিত প্রচেষ্টা; এই লক্ষ্যে কাজ করা হবে টেকসই প্রবৃদ্ধির সহায়ক।

লেখক খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও কলামনিস্ট

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত