কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মনিরুল হক সাক্কু ভোটের ফল প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন, তার কাছে ১০৫ কেন্দ্রের ফলাফল রয়েছে। তাতে তিনিই এগিয়ে আছেন।
সাক্কু সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ৯৮৭ ভোটে জিতেছেন। তার আগে রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার শায়েদুন্নবী চৌধুরী। এই ফল অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩১০ ভোট। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মনিরুল হক সাক্কু টেবিল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট।
আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী নিজামউদ্দিন কায়সার ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ৯৯ ভোট। সাক্কু ও কায়সার দুজনই বিএনপির রাজনীতি করতেন। দলের নির্দেশ অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।
ফলাফল ঘোষণার আগে রাত ৯টার কিছুক্ষণ আগে মিলায়তনের সামনে রিফাত ও সাক্কুর সমর্থকদের মধ্যে মারামারি হয়। এ সময় সাক্কুর ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভোটের ফল ঘোষণা শুরু হয়। শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনের মঞ্চ থেকে ভোটের ফল ঘোষণা করতে থাকেন রিটার্নিং অফিসার শায়েদুন্নবী চৌধরী। এ সময় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপার (এসপি) ফারুক আহমেদ।
কেন্দ্র ভিত্তিক ফল ঘোষণায় কখনো রিফাত, কখনো সাক্কু এগিয়ে থাকছিলেন। একেবারে শেষ মুহূর্তে রাত ৯টার কিছুক্ষণ আগে ফল ঘোষণা বন্ধ করে দেন রিটার্নিং অফিসার। ওই সময় ১০১ কেন্দ্রের ফল ঘোষণা সাক্কু প্রায় ১ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিলেন। সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ফল ঘোষণাও তিনি এগিয়ে ছিলেন। তখন সাক্কু ছিলেন বাসায়। খবর পেয়ে সমর্থকরা তার বাসার সামনে আনন্দ মিছিল করে।
রিটার্নিং অফিসার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য কর্মকর্তারা আলাদা কক্ষে গিয়ে নিজেদের মধ্যে আধা ঘণ্টার মতো কথা বলেন। সাক্কু শিল্প কলা একাডেমিতে ছিলেন তখন। ওই সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী রিফাত ঘটনাস্থলে ছিলেন না। ফল ঘোষণার আধা ঘণ্টা পরে তিনি শিল্পকলা একাডেমিতে আসেন।
