সিমন্সের সেঞ্চুরির জবাবে তামিম অপরাজিত ১১১, ঢাকার জয়

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১০:৪৬ পিএম

চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) প্রথম সেঞ্চুরিটি এল লেন্ডল সিমন্সের ব্যাটে। সুবাদে তার দল সিলেট সানরাইজার্সও পেল চ্যালেঞ্জিং পুঁজি। কিন্তু ঘরের মাঠে তামিম ইকবাল পেলেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে নিজের চতুর্থ সেঞ্চুরি। যা ম্লান করে দিল সিমন্সের সেঞ্চুরিকে। অন্য প্রান্তে মোহাম্মদ শাহজাদও খেললেন স্বভাব সুলভ ইনিংস। সুবাদে মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা পেল দাপুটে এক জয়।

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুক্রবার সিলেটের দেওয়া ১৭৬ রানের লক্ষ্য ৩ ওভার হাতে রেখেই ছুঁয়ে ফেলে ঢাকা। তুলে নেয় ৯ উইকেটের জয়।

ঢাকার প্রথম পর্বে চার ম্যাচের তিনটিতেই হেরে খাদের কিনারায় ছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন দল। এদিনের দাপুটে জয়ে তাদের ওপর থেকে চাপ দূর হলো অনেকটাই। অন্যদিকে তিন ম্যাচ খেলে সিলেটের এটি দ্বিতীয় হার।

লক্ষ্য তাড়া করতে নামা ঢাকার দুই ওপেনার তামিম ও শাহজাদ তুলোধুনো করেন প্রতিপক্ষের বোলারদের। উদ্বোধনী জুটিতে দুজন ১৭৩ রান যোগ করেন। বিপিএলের ইতিহাসে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উদ্বোধনী জুটি।

সবার ওপরে শাহরিয়ার নাফীস ও লু ভিনসেন্টের ২০১৩ সালে করা অবিচ্ছিন্ন ১৯৭ রান।

তামিমের তুলনায় কম স্ট্রাইক পেয়েছেন শাহজাদ। তবে তার ব্যাটও ছিল খাপ খোলা তলোয়ার। ৩৯ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫৩ রান করেন তিনি। যখন ফেরেন, দল তখন জয় থেকে মাত্র ৩ রান দূরে।

অন্য দিকে ৬১ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করা তামিম শেষ পর্যন্ত ৬৪ বলে অপরাজিত ১১১ রান করেন। ১৭টি চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা উপহার দেন তিনি।

এর আগে সিমন্সের ব্যাটে ভর করে ৫ উইকেটে ১৭৫ রানের পুঁজি গড়ে টস হেরে ব্যাট করতে সিলেট। এনামুল হক বিজয়কে নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ৫০ রান যোগ করেন সিমন্স। বিজয় ১৬ বলে ১৮ রানের বেশি করতে পারেননি।

তিনে নামা মোহাম্মদ মিথুন (৮ বলে ৬) ও চারে নামা কলিন ইনগ্রামও (৩ বলে ০) ছিলেন ব্যর্থ। তবে এক প্রান্তে সিমন্স দুর্দান্ত খেলেছেন। ফলে বড় সংগ্রহ গড়তে অসুবিধা হয়নি সিলেটের। শেষ দিকে ৮ বলে অপরাজিত ১৩ রান করেন মোসাদ্দেক হোসেন।

ঢাকার পক্ষে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ৪ ওভারে ২৯ রান খরচায় ১ উইকেট নিয়েছেন। আন্দ্রে রাসেল, এবাদত হোসেন ও কায়েস আহমেদ নিয়েছেন ১টি করে উইকেট। ম্যাচসেরা হয়েছেন তামিম ইকবাল।

আরো পড়ুন

সাগরিকায় তামিমের রাজকীয় সেঞ্চুরি

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত