রোববার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

অনলাইনে নিরাপদ থাকবেন যেভাবে

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০১৮, ১২:১২ পিএম

ইন্টারনেট দরকারি, মজার ও অদ্ভুত সব তথ্যের উৎস। আয়-রোজগার, কেনাকাটা বা যোগাযোগের জন্য এ প্রযুক্তি দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। অনেক সুযোগ-সুবিধা পেলেও ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিপদে পড়তে পারেন। বেশির ভাগ সময় আপনার অসতর্কতা এর জন্য দায়ী। সহজেই খারাপ লোকেরা আপনার তথ্য হাতিয়ে নেয়।

তাই ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। অনলাইনে নিরাপদ থাকার কিছু টিপস দিয়েছে দ্য টপ টেনস ডটকম।

অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার:  ভাইরাস বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। কম্পিউটারের গতি কমিয়ে দিতে পারে এমনকি অচলও করে দিতে পারে। ভায়াগ্রা, পর্ন অথবা ফিশিং ইমেইল আসতে পারে। এই সব মেইলে ক্লিক করলে আপনার ব্যবহৃত ওয়েবসাইটে আক্রমণ করতে পারে এবং ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নাম্বার, রেকর্ড বা রিপোর্ট নিতে পারে। তাই কম্পিউটারকে ভাইরাসমুক্ত রাখুন। ভালো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন।

গুগল ক্রোম ব্যবহার: অ্যান্টিভাইরাস না থাকলেও ব্রাউজার হিসেবে গুগল ক্রোম বেছে নিতে পারেন। বর্তমানে গতিশীল ও নিরাপদ ব্রাউজার হিসেবে এটি বেশ জনপ্রিয়।

পাসওয়ার্ড কাউকে না দেওয়া:  ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার মূল চাবিকাঠি হচ্ছে পাসওয়ার্ড। বর্তমানে অধিকাংশ স্প্যামারই এই পথ ব্যবহার করে থাকেন। অনেক সময় দেখা যায়, অনলাইনে গেম খেলার জন্য কোনো সাইটে ঢুকতে চাইলে পাসওয়ার্ড চাওয়া হয়। পাসওয়ার্ড দিয়ে ফেললেন তো বিপদে পড়লেন। এর ফলে আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, ডকুমেন্ট চুরি হতে হয়ে যেতে পারে। আপনার ইমেইল, ওয়েবসাইটের পাসওয়ার্ডও অন্য কাউকে দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

মেইলে আসা লিংকগুলোতে ক্লিক না করা: ইমেইলে আসা অপরিচিত লিংকগুলোতে ক্লিক করবেন না। সেখানে বিভিন্ন অফার দিয়ে কৌশলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া হয়। এতে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এমনকি হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

অ্যান্টিভাইরাস আপডেট রাখা: সব ধরনের ভাইরাসকে রুখবে এমন কোনো অ্যান্টিভাইরাস নেই। কিন্তু প্রতিদিন নতুন নতুন ভাইরাস সৃষ্টি হচ্ছে। তাই এগুলো প্রতিরোধ করতে অ্যান্টিভাইরাসেরও মজবুত হওয়া দরকার। তাই নিয়মিত অ্যান্টিভাইরাসটি আপডেট করতে হবে।

অপরিচিত কারো অ্যাটাচমেন্ট না খোলা: মেইলে অপরিচিত অ্যাকাউন্ট থেকে কোনো অ্যাটাচমেন্ট পাঠালে খোলার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। ভাইরাস আক্রমণের একটি পরিচিত পথ এটি। অ্যাটাচমেন্ট খোলার সঙ্গে সঙ্গে কম্পিউটার এবং মেইলের সব সংরক্ষিত কনট্রাক্টে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে। অপরিচিত কারো সঙ্গে কথা বলবেন না।

ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা: কম্পিউটারের তথ্য নিরাপত্তা রক্ষার জন্য ফায়ারওয়াল ব্যবহার করতে পারেন।  

পাবলিক সাইটে ব্যক্তিগত তথ্য নয়: কোনো পাবলিক পোস্ট, ব্লগ কমেন্টে অনেকে ব্যক্তিগত ইমেইল ঠিকানা ও ফোন নাম্বার দিয়ে থাকেন। এটা মোটেও ঠিক নয়। সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করে স্প্যামাররা মেইলে স্প্যাম পাঠাতে শুরু করে। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত কল আসতে পারে।

কেবল অনলাইনেই নয় বাস্তব জীবনেও নিরাপদ থাকতে হবে। লোকজন আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যত বেশি জানবে, আপনাকে টার্গেট করা তত সহজ হবে। কেবল সহিংসতাই নয়, হ্যাকিং ও ভাইরাসের মাধ্যমেও আপনি আক্রান্ত হতে পারেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত