অবৈধ ভর্তির খবরে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে অভিযানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে এই প্রতিবেদন লেখার সময় দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটির দুই সদস্যের টিম অভিযান চালাচ্ছিল।
জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানের প্রথম শ্রেণির লটারিতে ভর্তি কার্যক্রম গত ডিসেম্বরে শেষ হয়ে যায়। কিন্তু এরপরও মঙ্গলবার নতুন করে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করে। সেটিও বুধবার অব্যাহত ছিল।
ঘোষিত আসনের বাইরে দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে এই ভর্তির খবর দুদকের হটলাইনে (১০৬) কে বা কারা জানিয়ে দেয়। এরপরেই তাৎক্ষণিক অভিযানে নামে দুদক।
প্রতিষ্ঠানটির আইটি রুমে কম্পিউটারে সংরক্ষিত ভর্তির তথ্যাদি যাচাই করে দুদক টিম।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, ভিকারুননিসার ভর্তির অর্থ কলেজ ক্যাম্পাসের পূর্ব দিকে অবস্থিত সোনালী ব্যাংকের শাখায় জমা দিতে হয়। অবৈধ ভর্তি গোপন রাখতে ব্যাংক কর্মকর্তাদের স্কুলের ভেতরে নিয়ে আসা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিদের ম্যানেজ করতে তাদের অনুরোধে ভর্তিসহ নানারকম সুবিধা নিয়ে ভর্তির এই আয়োজন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) হাসিনা বেগম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অভিযান নয়, দুদকের কর্মকর্তারা জানতে এসেছিলেন। আমরা তাদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। তারা কিছুক্ষণ আগে চলে গেছেন।’
তিনি দাবি করেন, ‘কারো অনুরোধে যদি আমরা বাড়তি ভর্তি করি তবে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে না। ভিকারুননিসা একটি সুনামধারী প্রতিষ্ঠান, এখানে সকলের আগ্রহ থাকে পড়তে বা পড়াতে। আমাদের সীমাবদ্ধতা থাকায় আমরা অতিরিক্ত ভর্তি করতে পারছি না। তবে এখনো বাড়তি ভর্তি করানো হয়নি।’
