কথায় বলে, লোকের আয়-রোজগার নিয়ে জানতে চাওয়া নাকি অশোভন! কিন্তু ব্যক্তিটি যখন কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও, তখন জানার আগ্রহটা তুঙ্গে থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের একজন পোশাকশ্রমিক সারা জীবনে যে অর্থ আয় করেন, তা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) মাত্র কয়েক দিনের বেতনের সমান। শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অক্সফাম প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। লিখেছেন লায়লা আরজুমান্দ
প্রচারের বাইরে হক ট্যান
প্রতিষ্ঠান : ব্রডকম
বাৎসরিক পারিশ্রমিক : ১০ কোটি ৩২ লাখ মার্কিন ডলার
মার্কিন চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ব্রডকম। এটি একটি সেমিকন্ডাক্টার কোম্পানি। এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী হক টান। শুনলে অবাক হবেন তার বাৎসরিক বেতন ১০৩.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় ৮০০ কোটিরও বেশি। সেমিকন্ডাক্টর শিল্পটি যেন জটিল এক খাদ্যচক্র মেনে চলে! বড় চিপনির্মাতা প্রতিষ্ঠান ছোট প্রতিষ্ঠানকে শিকারের লক্ষ্য বানায় মানে কিনতে চায়। চিপসেটের রাজ্যে কোয়ালকম ও ব্রডকম বর্তমানে একে অন্যের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বী। দুই প্রতিষ্ঠানই অ্যাপলকে তাদের প্রধান গ্রাহক হিসেবে মনে করে। ব্রডকম কিনতে চায় কোয়ালকমকে। আবার কোয়ালকমও বসে নেই। তারা চাইছে নেদারল্যান্ডসের চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনএক্সপিকে অধিগ্রহণ করতে। এনএক্সপি আবার ফ্রিস্কেল নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে অধিগ্রহণ করে তাদের সঙ্গে এক হয়ে গেছে। সবাই সুযোগের অপেক্ষায়। এদিক দিয়ে হক ট্যানকে বলা যায় দক্ষ শিকারি। প্রতিদ্বন্দ্বী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অধিগ্রহণ করে ব্রডকম বর্তমানে পঞ্চম বৃহত্তম সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। ২০১৩ সালের পর থেকে পাঁচটি বড় প্রতিষ্ঠানকে অধিগ্রহণ করেছে ব্রডকম। তবে অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মতো প্রচারের আলোতে আসেননি হক ট্যান। সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বাইরে তার নাম খুব একটা শোনা যায় না। তবে তার ব্যবসা বাড়ানোর নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতি দেখার মতো। হক ট্যানের বয়স ৬৬ বছর। জন্ম মালয়েশিয়ার পেনাং শহরে। মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি পাড়ি জমান আমেরিকায়। বিয়ে করেন লিসা ইয়ান নামে এক রমণীকে। তাদের তিন সন্তানের মধ্যে দুজনই অটিজমে আক্রান্ত। ব্রডকম প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯১ সালে। এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার আরভিনে। বিশ্বের ১৫টি দেশে এর ১১,৩০০ কর্মী রয়েছে।
বেতনের চেয়ে হাজার গুণ আয় বেশি ইভান স্পিগেলের

প্রতিষ্ঠান : স্ন্যাপচ্যাট
বাৎসরিক পারিশ্রমিক : ৯৮ হাজার ৭৮ মার্কিন ডলার
বয়স মাত্র ২৮ বছর। মোবাইল ফোন অ্যাপ্লিকেশন স্ন্যাপচ্যাট ইনকরপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ইভান স্পিগেল। পারিশ্রমিকের চেয়ে তার আয় কয়েক হাজার গুন বেশি। ২০১৭ সালেই তিনি আয় করেছিলেন ৬৩ কোটি ৭৮ লাখ মার্কিন ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় যা ৫ হাজার ২৯৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকার বেশি। সহজে ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় দিনে দিনে স্ন্যাপচ্যাটের প্রতি ব্যবহারকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। তবে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে এর সংক্ষিপ্ততার কারণে। বিশেষ করে, যারা পাবলিকলি কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে দ্বিধাগ্রস্ত, তাদের জন্য এটি আকর্ষণীয় মাধ্যম। এর মাধ্যমে একই সময়ে একসঙ্গে দ্রুত অনেক পোস্ট করা যায়, যা শুধু কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়। দারুণ দারুণ আইডিয়ার জন্য আজকের এই সাফল্য পেয়েছেন ইভান। তিনি সবথেকে কম বয়সী বিলিয়নিয়ারদের মধ্যে একজন। ১৯৯০ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস ক্যালিফোর্নিয়ায় ইভানের জন্ম। ২০১৫-তে সম্পর্কে জড়ান মডেল, অভিনেত্রী মিরান্ডা কারের সঙ্গে। বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ২৭ মে ২০১৭ সালে।
কর্মগুণে কর্মী থেকে সিইও সত্য নাদেলা

প্রতিষ্ঠান : মাইক্রোসফট
বাৎসরিক পারিশ্রমিক : ১৫ লাখ মার্কিন ডলার
মাইক্রোসফট করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলা। বেতন ১৫ লাখ ডলার হলেও তার আয় অনেক বেশি। সর্বশেষ মাইক্রোসফট থেকে তিনি আয় করেছিলেন দুই কোটি ৫৮ লাখ মার্কিন ডলার। যা কিনা প্রতিষ্ঠানটির মধ্যম সারির কর্মীর চেয়ে ১৫৪ গুণ বেশি।
২০১৪ সালে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সত্য নাদেলা প্রতিষ্ঠানটিতে সিইও হিসেবে নিয়োগ পান। তার আগে বাইশ বছর তিনি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন। তার বিশাল কর্মদক্ষতা ও দূরদর্শিতার জন্য মাইক্রোসফটের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সবচেয়ে আস্থাভাজন ব্যক্তিতে পরিণত হলেন তিনি। বিল গেটস ও স্টিভ বলমারের পর মাইক্রোসফটের ৪০ বছরের দীর্ঘ ইতিহাসে সত্য নাদেলা তৃতীয় সিইও। সত্য নাদেলার পুরো নাম সত্যনারায়ণ নাদেলা। জন্ম ১৯৬৭ সালের ১৯ আগস্ট ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের হায়দ্রাবাদের এক তেলুগু ব্রাহ্মণ পরিবারে।১৯৯২ সালে নাদেলা বিয়ে করেন পারিবারিক বন্ধুর মেয়ে অনুপমাকে। দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে তাদের সুখের সংসার। তারা বসবাস করেন ওয়াশিংটনের বেলভিউতে।
ক্ষমতাধর নারী সাফরা ক্যাটজ

প্রতিষ্ঠান : ওরাকল
বাৎসরিক পারিশ্রমিক : ৫ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার
বর্তমান বিশ্বে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও কর্মক্ষেত্রে সমানভাবে অবদান রাখছেন। কর্মক্ষেত্রে কমে এসেছে নারী-পুরুষ বৈষম্য। প্রযুক্তি কোম্পানি ওরাকলের সহ-প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে আছেন এক নারী। নাম সাফরা ক্যাটজ। গত বছর পারিশ্রমিক হিসেবে তিনি পেয়েছেন ৫ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। নারী সিইওদের মধ্যে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক সাফরার। ফরচুন সাময়িকীর ৫০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় ছিলেন সাফরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকল। কোম্পানিটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার সিস্টেম এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার পণ্যতে পারদর্শী। এই কোম্পানিতে সাফরার দায়িত্বে আছে ম্যানুফ্যাকচারিং, আইনগত বিষয় ও আর্থিক বিষয়গুলো পরিচালনার ভার। ওরাকলের কোম্পানি ডিরেক্টর হিসেবে ১৯৯৯ সালে যোগ দেন ক্যাটজ। ২০০৪ সালে কোম্পানিটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০১৪ সালে কো-সিইও হিসেবে দায়িত্ব পান। ৫৭ বছর বয়সী এই নারীর জন্ম ইসরায়েলের হুলন শহরে।
স্টিভ জবসের বন্ধু টিম কুক

প্রতিষ্ঠান : অ্যাপল
বার্ষিক পারিশ্রমিক : ৩০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৯২ ডলার
মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল এখন ট্রিলিয়ন ডলার কোম্পানি। আর সেই অ্যাপলের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বে রয়েছেন ৫৮ বছর বয়সী টিম কুক। বিশ্বের প্রভাবশালী ও বেশি পারিশ্রমিক পাওয়ার তালিকায় তাই রয়েছে তার নাম। অ্যাপল থেকে কুক প্রতিবছর বেতন হিসেবে পান ৩০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৯২ ডলার। সর্বশেষ বছরের হিসাব অনুযায়ী, বেতন সহ প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি আয় করেছিলেন ১ কোটি ২৮ লাখ মার্কিন ডলার।
তার পুরো নাম টিম ডোনাল্ড কুক। কুক ১৯৯৮ সালে অ্যাপল ইনকরপোরেটেডের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড অপারেশনে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ দেন স্টিভ জবসের বন্ধু টিম কুক। স্টিভ জবস যখন প্রধান নির্বাহী ছিলেন, তখন তিনি চিফ অপারেটিং অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৪ আগস্ট স্টিভ জবসের স্বাস্থ্যের অবনতি হলে উত্তরসূরি হিসেবে টিম কুককে নির্বাচন করে যান তিনি। আর তখন থেকেই দক্ষ হাতে প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন টিম কুক।
কুকের হাতে অ্যাপলের অনেক সফলতা এসেছে। প্রধান নির্বাহী হিসেবে অ্যাপলের ৩১ লাখ শেয়ারের মালিক টিম কুক। আর সেখান থেকেই আসে তার মূল আয়।
স্ত্রীর সিদ্ধান্তে গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই

প্রতিষ্ঠান : গুগল
বার্ষিক পারিশ্রমিক : ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার
সার্চ জায়েন্ট গুগল ২০১৫ সালের ১০ আগস্ট একটি চমকপ্রদ খবর নিয়ে হাজির হয়। সেদিন ঘোষণা করা হয় তাদের নতুন সিইওর নাম। তিনি হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুন্দর পিচাই। পুরো নাম পিচাই সুন্দারারাজান। ২০১৫ সালে সিইও হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও গুগলে তিনি কর্মরত ছিলেন ২০০৪ সাল থেকেই।
২০১৬ সালে বেতন সহ তার মোট আয় ছিলো ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার ছিলো তার বেতন আর বাকিটা আসে কোম্পানির শেয়ার থেকে। এর বাইরেও তহবিল, লভ্যাংশসহ নানা খাত থেকে প্রতি মাসে আরও মোটা অঙ্কের টাকা আয় করেন সুন্দর। গুগলে সুন্দর পিচাইর সাফল্যে রয়েছে অনেক। জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার ক্রোম তৈরির পেছনে প্রধান কারিগর ছিলেন পিচাই। পরে অ্যান্ড্রয়েড এবং অন্যান্য গুগল সেবার প্রধান হিসেবেও তিনি দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।
আইআইটিতে পড়াকালীন প্রেম করেছিলেন সহপাঠী অঞ্জলির সঙ্গে। তাকেই বিয়ে করেছেন। তার সাফল্যমণ্ডিত উত্থানে স্ত্রীর রয়েছে বিশাল অবদান। মাইক্রোসফট, ইয়াহু ও টুইটারে মোটা অঙ্কে সিইও হওয়ার অফার পেয়েও গুগলে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সুন্দর নিয়েছিলেন স্ত্রীর অনুপ্রেরণাতেই। ব্যক্তিগত জীবনে এক মেয়ে ও এক ছেলের জনক সুন্দর পিচাই।
জেফ বেজোস : যেন নিজেই জানতেন নিজের ভবিষ্যৎ

প্রতিষ্ঠান : অ্যামাজন
বার্ষিক পারিশ্রমিক : ৮১ হাজার মার্কিন ডলার
সারা বিশ্বের ক্ষমতাধর সিইওর তালিকায় রয়েছেন অনলাইনে কেনাবেচার প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী জেফ বেজোস। ৫৫ বছর বয়সী জেফ বেজোসের নাম রয়েছে বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকায়ও।
অ্যামাজনে বেজোসের ১৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। তাই তিনি রয়েছেন বিশ্বসেরা ধনীর তালিকায়। তবে মজার বিষয় হচ্ছে, বেজোসের থেকে অ্যামাজনের ভাইস প্রেসিডেন্টের বেতন বেশি। তার বার্ষিক বেতন এক লাখ ৭৫ হাজার মার্কিন ডলার।
মাত্র দুই দশক আগেও তিনি ছিলেন সাধারণ এক উদ্যোক্তা। কিন্তু তিনি বুঝতে পেরেছিলেন এমন এক যুগ আসছে, যখন অনলাইনে যেকোনো জিনিস কেনা যাবে। এরপর তিনি অ্যামাজন নামে একটা কোম্পানি চালু করলেন, যেখানে বিক্রি করা হতো পুরনো বই। মাত্র এক মাসের মধ্যেই এ ব্যবসা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ৩৫ বছর হওয়ার আগেই বেজোস পৃথিবীর শীর্ষ ধনীদের তালিকায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। অ্যামাজনের সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের সিয়াটলে। বর্তমানে অ্যামাজানে কেনা যায় না এমন জিনিস প্রায় নেই বললেই চলে।
ব্যতিক্রমী মার্ক জাকারবার্গ

প্রতিষ্ঠান : ফেইসবুক
পারিশ্রমিক : ১ ডলার
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুক। তবে শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে নয়, বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ দেশের মানুষ ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যেও একে ব্যবহার করছে। প্রভাবশালী সিইওর তালিকায় রয়েছে মার্ক জাকারবার্গের নাম। রয়েছেন শীর্ষ ধনীর তালিকায়ও। তার পুরো নাম মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গ।
শুনলে অবাক হবেন প্রতীকী বেতন হিসেবে মাত্র এক ডলার বেতন নেন তিনি। ২০১৩ সাল থেকে মূল বেতন হিসেবে এই পারিশ্রমিক নেন জাকারবার্গ। তবে সিইও হিসেবে এক ডলার করে নিলেও আয় কমেনি তার। কারণ আয়ের উৎস তার প্রতিষ্ঠিত ফেইসবুক। আর ফেইসবুকের বেশির ভাগ আয় আসে বিজ্ঞাপন থেকে। স্ত্রী প্রিসিলা ও দুই কন্যাসন্তানের নিরাপত্তার জন্যই বছরে বরাদ্দ এক কোটি ডলার। এ খরচের মধ্যে ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী, তার বাড়ির নিরাপত্তায় নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ ও এ-সংক্রান্ত অন্যান্য খরচ, ব্যক্তিগত ভ্রমণের নিজস্ব উড়োজাহাজ ব্যবহার প্রভৃতি।
২০০৪ সালে হার্ভার্ডে পড়ার সময় বন্ধুদের সঙ্গে মিলে প্রতিষ্ঠা করেন সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট ফেইসবুক ডটকম। মাত্র ২৬ বছর বয়সেই জাকারবার্গ টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে বছরের সেরা ব্যক্তিত্বরূপে নির্বাচিত হন। বর্তমানে তার বয়স ৩৪ বছর।
