দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মী আবজাল-রুবিনা দম্পতির পাঁচ আত্মীয়কে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তারা সবাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। গতকাল বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক শামসুল আলমের স্বাক্ষর করা নোটিসে ২২ জানুয়ারি তাদেরকে হাজির থাকতে বলা হয়েছে বলে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান।
এই পাঁচজনের মধ্যে ফরিদপুর টিবি হাসপাতালের ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট বেলায়েত হোসেন ও জাতীয় অ্যাজমা সেন্টারের রকিবুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চমান সহকারী বুলবুল ইসলাম ও খুলনা মেডিকেল কলেজের অফিস সহকারী শরিফুল ইসলাম তার শ্যালক। এদের সবাইকে আবজাল চাকরি দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে গত ১০ জানুয়ারি দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের দায়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবজাল হোসেনকে ও ১৪ জানুয়ারি সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। আজ বৃহস্পতিবার আবজালের স্ত্রী রুবিনা খানমের সম্পদের বিবরণী নিয়ে দুদকের হাজির হওয়ার কথা রয়েছে। ঢাকায় ১৪টিসহ সারা দেশে আবজাল-রুবিনা দম্পতির ২৫টি প্লট ও বাড়ির সন্ধান পেয়েছে দুদক।
এ ছাড়া ১৪ জানুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর ড. কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন ও লাইন ডিরেক্টর (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি) অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুর রশিদকে তলব করা হলেও তারা শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চেয়ে আবেদন করেন।
