নড়াইলে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রুম্মান হোসেন নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার কাড়ারবিল এলাকায় নিহত রুম্মান ১৩ মামলার আসামি বলে পুলিশ জানিয়েছে। অন্যদিকে সাতক্ষীরার তালায় ইয়াবা-ফেনসিডিলসহ এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, মাদক বিক্রেতাদের দুই পক্ষের কোন্দলে তার প্রাণ গেছে। নড়াইলে নিহত রুম্মান হোসেন (৩০) সদর উপজেলার বিছালী ইউনিয়নের মুধুরগাতি গ্রামের মৃত মিজানুর রহমানের ছেলে। পুলিশ জানায়, তার নামে নড়াইল সদর, যশোরের কোতোয়ালি ও অভয়নগর এবং খুলনার ফুলতলা থানায় খুন, ডাকাতির ১৩টি মামলা রয়েছে।
নড়াইল সদর থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন বলেন, নড়াইল-গোবরা-নওয়াপাড়া সড়কের কাড়ারবিল এলাকায় একদল সন্ত্রাসী অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে যায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা গুলি করলে আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির একপর্যায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিসৎক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধারের কথা জানান তিনি। পুলিশের দাবি, এ ঘটনায় তাদের তিন সদস্য সোহাগ, মফিজুল ও নাজমুল আহত হন। তাদের নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সাতক্ষীরার তালা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপু সরোয়ার বলেন, গতকাল বুধবার ভোররাতে খুলনা-পাইকগাছা সড়কের তেঁতুলিয়া বিশ্বাসপাড়া মোড় এলাকায় রাস্তার পাশে একটি লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। লাশের পাশে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তির নাম ময়েজউদ্দিন আহম্মেদ টুলু (৪০)। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিকড়ি এলাকার শামসুল হক সরদারের ছেলে। এ পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে। এ পুলিশ কর্মকর্তার ধারণা, তিনি একজন মাদক বিক্রেতা।
তালা থানার ওসি মেহেদী রাসেল জানান, টুলু নিহতের নেপথ্যে মাদক বিক্রেতাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল। তার মাথা, বুকে ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটর সাইকেল, ১৬০ পিস ইয়াবা, ১৫ বোতল ফেনসিডিল ও একটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
