আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গত ১০ বছর ধরে বিএনপি শুধু আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে এসেছে, কিন্তু আন্দোলন করতে পারেনি। কারণ, জনগণ সাড়া দেয়নি। এখন আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর যখন জনগণ শান্তিতে আছে, তখন বিএনপির আন্দোলনের ডাকে তারা কেন সাড়া দেবে? গতকাল বুধবার রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্র্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় নেতাকর্মীদের আন্দোলনে নামতে বলেছেন। কিন্তু জনগণ ছাড়া আন্দোলন হয় না। মির্জা ফখরুলের আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেবে, এটা দুঃস্বপ্নের নাম।’
অনিয়ম, দুর্নীতি ও হয়রানি বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে
বিআরটিএর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আগের তুলনায় বিআরটিএর অফিসগুলোতে হয়রানি অনেক কমেছে। তারপরও ভেতরে অনেক সমস্যা আছে। এসবও বরদাশত করা হবে না। স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’ আধুনিক যুগোপযোগী সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে বিআরটিএকে ঢেলে সাজানো হয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘অনিয়মকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। বিআরটিএতে এসে মানুষ যেন হয়রানি না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।’
বিআরটিএর অসাধু কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নিজেদের সংশোধন করুন। না হয় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। টোল আদায়ের নামে মেঘনা-গোমতীতে কোনোভাবেই হয়রানি করা যাবে না।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আজ পদ্মাসেতুর ষষ্ঠ স্প্যান বসেছে। এর মধ্য দিয়ে সরকারের এ মেগা প্রকল্পটির এক কিলোমিটার দৃশ্যমান হলো। এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু করা হবে। এভাবে প্রকল্পের পর প্রকল্প শেষ করার মাধ্যমে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে সমৃদ্ধির দিকে।’
