কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী কয়েকজনকে বাংলা একাডেমির ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। এ সময় দুজনকে মারধর করা হয়েছে বলেও জানা যায়। যদিও ছাত্রলীগ বিষয়টি অস্বীকার করেছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়র (ঢাবি) সংলগ্ন বাংলা একাডেমির ভেতরে বিকেল ৫টায় এই ঘটনা ঘটে বলে জানান কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতারা। যুগ্ম আহ্বায়ক সোহরাব হোসেন এবং মুনতাসির মাহমুদ এ সময় মারধরের শিকার হন বলে তারা জানিয়েছেন।
জানতে চাইলে অবরুদ্ধ থাকা কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরূল হক নূর দেশ রূপান্তর বলেছেন, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব বলে ঘোষণা দেওয়ার পরদিন এই ঘটনা ঘটল।
তিনি বলেছেন, আমরা বাংলা একাডেমির ভেতর পুকুর পাড়ে বসেছিলাম। এই সময় ছাত্রলীগের কয়েকজন ৪/৫টি মোটরসাইকেলে আমাদের পাশে এসে বলে, ‘এদের ধর’। তখন আমরা পুকুরের পাশে একটি ভবনে ঢুকে যাই। প্রায় দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ ছিলাম। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিমের মাধ্যমে আমরা বের হই। তাদের উদ্দেশ্য আমরা যেন ডাকসু নির্বাচনে ভয়ে অংশগ্রহণ না করি। কিন্তু আমি বলতে চাই, ছাত্রদের যে কোনো অধিকার আদায়ে পাশে থাকব।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাংলা একাডেমি পুকুর পাড়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী ৪/৫ জন ছবি তুলছিল। এ সময় ৫/৬টি মোটরসাইকেল ভেতরে প্রবেশ করে পুকুর পাড়ে যায়। মোটরসাইকেল আরোহীরা তখন ‘তোরা কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী, এখানে কী’ বলে তাদের ধাওয়া দেয়। এ সময় দুজনকে ঘুষি দেওয়া হয়।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস বলেন, আমার কাছে ফোন এসেছে এমন একটি ঘটনা নিয়ে। পরে আমি খোঁজ নিয়ে এর কোনো সত্যতা পাইনি।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, আমার কাছে অভিযোগ আসার পর প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যদের পাঠিয়েছি। তারা গিয়ে তাদের যে যেখানে যেতে চায় পৌঁছে দিয়েছে।
