চিরচেনা সেই এফডিসি এখন ঢাকা পড়ে আছে পোস্টারে। গেট থেকে শুরু করে পুরো এফডিসি জুড়ে শত শত পোস্টার ঝুলছে। উপলক্ষ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নির্বাচন। রাত পোহালেই ভোট যুদ্ধে নামবেন পরিচালকরা। নির্বাচনে বিজয়ীরা গঠন করবে দুই বছর মেয়াদি (২০১৮-১৯) পরিচালনা কমিটি। নির্বাচন গত বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে পিছিয়ে যায়। ২৫ জানুয়ারি সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

নির্বাচনে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে-গুলজার-খোকন প্যানেল ও বাদল খন্দকার-বালুর রসিদ চৌধুরী প্যানেল। এর বাইরেও হাতে গোনা কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বৃহস্পতিবার এফডিসি ঘুরে দেখা যায় নির্বাচনী আমেজে ভাসছে পুরো এফডিসি। মহাসচিব পদের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাফি উদ্দিন সাফিকে দেখা গেল শীতের পিঠা আর চা খাওয়াচ্ছেন পরিচালকদের। সাফি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ভোট নয়, আমাদের কাছে ঈদের মতো মনে হচ্ছে। জয়-পরাজয় ভিন্নকথা, উৎসবের আমেজে আমরা নির্বাচন করতে চাই।’

সাফির সঙ্গে কথা শেষ হতেই দেখা হলো আন্তর্জাতিক ও প্রযুক্তি সচিব পদের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘জানি না বিজয়ী হব কিনা, তবে আমি আত্মবিশ্বাসী। এখন দেখা যাক কী হয়।’
গত মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বদিউল আলম খোকন। এবারও একই পদে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। দেশ রূপান্তরকে তিনি বলেন, ‘গত দুই বছর আমরা প্রচুর কাজ করেছি। তার ধারাবাহিকতায় এই নির্বাচনে জয়ী হতে পারলে সিনেমা হল থেকে শুরু করে প্রতিটি সেক্টর ধরে ধরে আমরা পদক্ষেপ নিব।’

নির্বাচনে ১৯ পদে লড়বেন ৪৪ জন প্রার্থী। চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির ৩৬১ জন সদস্য তাদের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত করতে ভোট প্রদান করবেন। নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীরা আগামী ২০১৯-২০২০ অর্থাৎ দুই বছর চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিকে নেতৃত্ব দেবেন। পরিচালকদের এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আব্দুল লতিফ বাচ্চু। সদস্য হিসেবে থাকছেন আ.শ.ম শফিকুর রহমান ও বি এইচ নিশান।
