চাকরির প্রলোভনে নারী-শিশুদের এনে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করার অভিযোগে সিলেটে এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও তার স্ত্রী পরিচয় দানকারী এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। ওই সময় বাসা থেকে দুই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। গত শনিবার গভীর রাতে নগরীর দাড়িয়াপাড়ার একটি বাসায় র্যাব-৯ এই অভিযান চালায়।
গ্রেপ্তারকৃত দুজন হলেন নগরীর কোতোয়ালি থানার মুন্সিপাড়ার রোকন উদ্দিন ভূঁইয়া (৪০) ও নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ি উপজেলার আটগাঁও গ্রামের রিমা বেগম (৩৫)। রোকন উদ্দিন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের এসআই। তিনি সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাবাজারে ৭ নম্বর ব্যাটালিয়নে কর্মরত।
গতকাল রবিবার র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘নগরীর দাড়িয়াপাড়ার মেঘনা এ-২৬/১ নম্বর বাসায় পতিতাবৃত্তি ও ইয়াবা ব্যবসা চলেÑগোপন সূত্রে এমন খবর পেয়ে শনিবার মধ্যরাতে র্যাব-৯ অভিযান চালায়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসায় অবস্থানকারীরা পালানোর চেষ্টা করলে রোকন উদ্দিন ভূঁইয়া ও রিমা বেগমকে আটক করা হয়। পরে বাসায় তল্লাশি চালিয়ে দুই কিশোরী ও ৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। কিশোরীদের মধ্যে একজনের বাড়ি সিলেটে এবং আরেকজনের বাড়ি কিশোরগঞ্জে।’
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘আটক রোকন উদ্দিন ভূঁইয়া র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন, তিনি ও রিমা বেগম স্বামী-স্ত্রী হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে এই বাসায় থাকেন। তারা সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী ও কিশোরীদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এনে ইয়াবা সেবন ও দেহ ব্যবসায় বাধ্য করতেন। আটক দুজন ও উদ্ধার করা দুই কিশোরীকে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে।’
