একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে ভোট পড়েছে ৩৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। বিরোধী জোটের বর্জনের এই ভোটে বিজয়ী হয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রার্থী ডা. মো. ইউনুস আলী সরকার।
নৌকা প্রতীক নিয়ে ইউনুস আলী পেয়েছেন এক লাখ ২১ হাজার ১৬৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির দিলারা খন্দকার পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩৮৫ ভোট।
রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে আরও দেখা যায়, মশাল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৩০ ভোট।
অবশ্য বিকেল ৩টায় গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন জাসদের প্রার্থী এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি। তিনি বলেন, সকালে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে হলেও পরে তা আর ঠিক থাকেনি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ আনেন তিনি।
এছাড়া আম প্রতীকের ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মিজানুর রহমান তিতু পেয়েছেন ৫৪৪ ভোট আর সিংহ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মো. জাহিদ পেয়েছেন এক হাজার ৪৮ ভোট।
এই আসনে ভোটার ছিলেন চার লাখ ১১ হাজার ৮৫৪ জন। ভোট পড়েছে এক লাখ ৬১ হাজার ৩০৪টি। কাস্ট হওয়া ভোট মোট ভোটের ৩৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।
গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গড়ে ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। অবশ্য ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএমে নেওয়া ছয়টি আসনে ভোটের হার ছিল ৫১ দশমিক ৪১ ভাগ।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম তফসিলের আটজন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের পর এই আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর মারা গেলে ৩০ ডিসেম্বর এই আসনের ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে।
বিএনপি-প্রধান জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট একাদশ সংসদ নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে। গাইবান্ধা-৩ আসনের এ নির্বাচনেও অংশ নেয়নি বিরোধী জোট।
