রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

কৃষকের কাছে দ্রুত পৌঁছাতে হবে বারি উদ্ভাবিত প্রযুক্তি

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০২:১০ এএম

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্রুত কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। গতকাল রবিবার গাজীপুরের প্রধান কার্যালয়ে দুই দিনব্যাপী ‘বারি প্রযুক্তি প্রদর্শনী ২০১৯’ অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন বক্তারা।

তারা বলেন, বারি এ পর্যন্ত ২০৮টির বেশি ফসলের ৫৩১টি উচ্চ ফলনশীল (হাইব্রিডসহ), রোগ প্রতিরোধক্ষম ও বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশ প্রতিরোধী জাত উদ্বাবন করেছে। পাশাপাশি ফসল উৎপাদন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ৫০৫টি প্রযুক্তিসহ মোট ১ হাজার ৩৬টিরও বেশি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। এসব প্রযুক্তি দ্রুত কৃষকের কাছে পৌঁছাতে হবে। বারির মহাপরিচালক ড. আবুল কালাম আযাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী কৃষিবিদ ড. মো. আবদুুর রাজ্জাক। এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আবদুল মান্নান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান। সম্মানিত অতিথি ছিলেন বিএআরআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও ইমেরিটাস সায়েন্টিস্ট ড. কাজী এম বদরুদ্দোজা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সেবা ও সরবরাহ বিভাগের পরিচালক ড. মদন গোপাল সাহা।

ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন গবেষণা পরিচালক ড. মো. আবদুল ওহাব। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘কৃষি প্রযুক্তি হাতবই ২০১৯’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পর তা মাঠ ও চাষি পর্যায়ে না পৌঁছলে কোনো লাভ নেই। এ দায়িত্ব কৃষিবিজ্ঞানীদেরই নিতে হবে। উৎপাদিত প্রযুক্তির কতটা চাষি পর্যায়ে গেছে তা দেখা উচিত। দেশে ভুট্টা একসময় উৎপাদন হতো না। বর্তমানে এটি গুরুত্বপূর্ণ ফসলে পরিণত হয়েছ। কৃষিবিজ্ঞানীদের সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আগামী তিন বছর পর ভুট্টা আমদানি করতে হবে না। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম, সাফল্য, উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার ওপর সংক্ষিপ্ত বার্তা উপস্থাপন করেন পরিচালক (তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্র) ড. মো. লুৎফর রহমান।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত