শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

মানিকগঞ্জে ধর্ষণ মামলা রিমান্ডে দুই পুলিশ কর্মকর্তা

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০২:৩৮ এএম

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার ডাকবাংলোতে এক তরুণীকে দুদিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় দুই এসআই সেকেন্দার হোসেন ও এএসআই মাজহারুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয় দিনের পুলিশ হেফাজতে দিয়েছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাটুরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবুল কালাম তাদের মানিকগঞ্জ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করে ১০ দিনের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ার ছয় দিনের হেফাজত মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আব্দুল মজিদ ফটো, বাদীপক্ষের ছিলেন নজরুল ইসলাম বাদশা।

এ ঘটনায় মানিকগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান ও জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার হামিদুর রহমান সিদ্দিকীর সমন্বয়ে গঠিত কমিটি ধর্ষণের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর ওই তরুণী সোমবার রাতে সাটুরিয়া থানার এই দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। এর আগে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামিম এ দুজনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করেন।

ভুক্তভোগী তরুণীর করা মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গেল বুধবার বিকালে তিনি তার এক খালার সঙ্গে সাটুরিয়া থানায় পাওনা টাকা আনতে যান। থানায় যাওয়ার পর সেকেন্দার তাদের থানার পাশে জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে বসে পাওনা টাকার বিষয়ে কথাবার্তা বলার সময় এএসআই মাজহারুল সেখানে উপস্থিত হন। এরপর তার খালাকে কক্ষে আটকে রেখে ওই তরুণীকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে ওই কর্মকর্তারা ইয়াবা খাওয়ান। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ওই কক্ষে আটকে রেখে দুই কর্মকর্তা তরুণীকে কয়েক দফা ধর্ষণ করেন।

সাটুরিয়া থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, গত সোমবার রাতে মামলার পর সাটুরিয়া থানার এসআই সেকেন্দার হোসেন ও এএসআই মাজহারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত