শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

চার সংস্থার অনুমোদনে ভবন নির্মাণ

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৫:২০ পিএম

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা শহরে ভবন নির্মাণে ১৬ সংস্থার অনুমোদন কমিয়ে চার স্তর করছে সরকার। বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সমন্বয়ে রাজউক ও সিডিএ সেবা সহজীকরণের ওপর মতবিনিময় সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, আমরা কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মতো আমাদের অন্যান্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যেগুলো রয়েছে সেগুলো থেকে ভবন নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় ১৬ স্তর অতিক্রম করতে হতো। এখন তা কমিয়ে চার স্তরে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি জানান, এখন ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদনের জন্য সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ, গ্যাস সরবরাহ কর্তৃপক্ষ, ওয়াসা, পুলিশ, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

এখন থেকে যে চারটি ক্ষেত্রে অনুমোদন দরকার সে বিষয়ে মন্ত্রী বলেন,‘ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ছাড়পত্র নিতে হবে। ভবনের উচ্চতার বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি নিতে হবে, তবে এটাও আমরা সহজ করে দিয়েছি। যে এলাকা প্লেন চলাচলের পথ নয়, সেই এলাকা নির্ণয় করে এটা সহজ করে দেব যে, কর্তৃপক্ষ ম্যাপ অনুযায়ী পরিকল্পনা দিতে পারবেন। এই অঞ্চল প্লেন চলাচলের জায়গা নয়, এ বিষয়ে একটা গেজেট নোটিফিকেশন লাগবে। এটি আমরা দু’একদিনের মধ্যে সম্পন্ন করব। যেখানে প্লেন চলাচল নেই, সেখানে অনাপত্তিপত্র আনতে যেতে হবে না’।

তিনি বলেন, বঙ্গভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ বিশেষ বিশেষ এলাকা বা স্পর্শকাতর এলাকার পাশে কোনো ইমারত নির্মাণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাহিনীর অনাপত্তি লাগবে। আর দশতলা ভবনের ঊর্ধ্বে হলে ফায়ার সার্ভিসের অনাপত্তি লাগবে।

যারা নিয়মনীতি না মেনে ভবন নির্মাণ করেছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান মন্ত্রী।

সব ইমারত নির্মাণের ক্ষেত্রে ইনস্যুরেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে জানিয়ে শ ম রেজাউল করিম বলেন, ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে এখন থেকে নিয়মনীতি না মানলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

এ সময় বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী মো. আমিনুল ইসলাম, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকারসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত