মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

৬ দিনের সফরে জার্মানি ও আরব আমিরাতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৫:৫৫ পিএম

রাজনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন, রোহিঙ্গা বিষয়ে আলোচনা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছয় দিনের সফরে জার্মানি ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে জার্মানির উদ্দেশে তিনি রওনা দেবেন। মিউনিখ নিরাপত্তা কাউন্সিলের বৈঠকে যোগ দিতে তিনি প্রথমে জার্মানি যাবেন। জার্মানি থেকে প্রধানমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করবেন। 

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী জার্মানির উদ্দেশে রওনা দেবেন। সেখানে তিনি মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেলসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিমেন্স কোম্পানির গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ও সিইও এবং বাংলাদেশের ই-পাসপোর্ট প্রকল্প বাস্তবায়নকারী জার্মান রিক্রট কোম্পানি ভেরিডোস এর সিইও’র সঙ্গে আলাদা সাক্ষাৎ হতে পারে। সিমেন্স বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বড় বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি জয়েন্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর হতে পারে।

এ কে মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরকালে সেখানকার ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ  মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখদুমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার এবং প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ওই দেশে বাংলাদেশিদের আরও বেশি কাজের সুযোগ সৃষ্টিতে অবদান রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে। সফরকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বিনিয়োগ সংক্রান্ত দুটি সমঝোতা স্মারকে সই হতে পারে বলে আশা ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সীমান্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য দেশ, এর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ। এখন অন্যান্য দেশ তাদের আশ্রয় দিতে পারে। তিনি বলেন, বর্তমানে বিদেশিদের সঙ্গে যে কোনও আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যুটি তুলে ধরি। এর সমাধান সহজ নয়, তবে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

ছয় দিনের সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ফিরবেন বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত