মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

বিরোধী দলের আসনে বসবে না ১৪ দলের শরিকরা

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০২:৪৪ এএম

১৪-দলীয় জোট থাকবে কি থাকবে না তা স্পষ্ট করতে জোটের প্রধান দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কাছে দাবি জানিয়েছেন শরিক দলগুলোর নেতারা। গতকাল বুধবার সকালে ১৪-দলীয় জোটের সভায় তারা এ দাবি জানান। জোটের একাধিক নেতা দেশ রূপান্তরকে আরও জানিয়েছেন, ১৪ দলের শরিকরা বৈঠকে পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছে, একাদশ সংসদের বিরোধী দলের আসনে তারা বসবে না।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ শরিক দলগুলোর কোনো নেতাকে সরকারে না রাখায় তাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। শরিক দলগুলোর নেতারা চাইছেন সরকারে থাকতে। তবে জোটের প্রধান দল আওয়ামী লীগ তাদের বিরোধী দলে রাখতে চায়। শরিক দলের দুই নেতা দেশ রূপান্তরকে জানান, বৈঠকে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, আমরা বিরোধী দলে থাকব না এটা পরিষ্কার। আমরা কোথায় থাকব সেটা আওয়ামী লীগকে পরিষ্কার করতে হবে। জবাবে বৈঠকের সভাপতি আওয়ামী লীগ সভাপতিম-লীর সদস্য ও জোটের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আপনারা জোটেই আছেন, জোটেই থাকবেন। বিষয়টি নিয়ে সাময়িক কিছু ভুল বোঝাবুঝি হলেও শিগগিরই সমাধান হয়ে যাবে। এরপর জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনে জোটের মনোনয়ন নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ১৪ দলের সঙ্গে আলোচনা করেননি। এটা ঠিক হয়নি। এ সময় জোটের অবস্থান কী হবেÑ তা নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জোটের বৈঠক জরুরি বলে দাবি করেন মেনন। এরপর নাসিম বলেন, শিগগিরই বৈঠক হবে।

বৈঠকে মেনন অভিযোগ করে বলেন, দেশটা এখন পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, যা আমাদের কারও জন্যই মঙ্গল বয়ে আনবে না। তিনি বলেন, পুলিশের মধ্যে একধরনের অতিউৎসাহী মহল রয়েছে, যা সরকারকে বেকায়দায় ফেলে দিতে পারে। বিষয়টি উদ্বেগের। মেনন বলেন, এভাবে চলতে পারে না। দেশে একধরনের পুলিশি শাসন চলছে। এটা থেকে বেরিয়ে আসতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।

সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া বলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়ে কাউকে কাউকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। আমরা যদি জোটেই থাকি তাহলে বড় দল ছোট দল এই প্রশ্ন কেন আসবে? এ সময় জোটের সব দলকে সমানভাবে মূল্যায়ন করার দাবি জানান দিলীপ বড়ুয়া।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত