১১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন হবে। প্রতিবাদের মধ্যে বরাবরের মতোই এবারও ভোটকেন্দ্র হলেই বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্র্তৃপক্ষ। এর আগে ১৯৯০ সালের ৬ জুন সর্বশেষ নির্বাচন হয়। এরপর ছেলে ও মেয়েদের জন্য দুটি করে চারটি আবাসিক হল তৈরি হয়। এগুলো হলোÑ অমর একুশে, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, কবি সুফিয়া কামাল ও বিজয় একাত্তর হল। প্রথমবারের মতো হতে যাওয়া এই হলগুলোতে নির্বাচনের আমেজও বেশি। জানতে চাইলে বিজয় একাত্তর হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভুঁইয়া দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘শুধু বিজয় একাত্তর হল নয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দারুণ আগ্রহ কাজ করছে। শিক্ষার্থীরা হলে আইডি কার্ড আপডেট করছে। তাদের মধ্যে আগ্রহ দেখতে পাচ্ছি।’
হলের প্রশাসনিক ব্যস্ততার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাকিয়া পারভীন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমি তো আগে ডাকসু নির্বাচনের ভোট দিয়েছি। হলের শিক্ষার্থীরা নির্বাচনের ব্যাপারে উৎসাহী আছে। অনেকেই ভোটার লিস্ট চেক করছে। উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখছি শিক্ষার্থীদের মধ্যে।’
বিজয় একাত্তর হলের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র তারেক রহমান এলিট দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরাই প্রথমবারের মতো ভোট দেব- এটাও আনন্দের। যারা ছাত্রদের সমস্যা নিয়ে কাজ করবে আমরা তাদের ভোট দেব।’
তবে হলে ভোটকেন্দ্র নিয়ে আপত্তি রয়েছে জানিয়ে কবি সুফিয়া কামাল হলের এক ছাত্রী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে মনে করছি, হলের ভেতর ভোটকেন্দ্র হলে আমরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারব না। এজন্য অনেকের মধ্যে ভোট নিয়ে অনাগ্রহ রয়েছে।’
নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে জানতে চাইলে চিফ রিটার্নিং অফিসার আন্তর্জাতিক ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম মাহফুজুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘নতুন হলগুলো কাঠামোগতভাবে এগিয়ে আছে। এগুলো অত্যাধুনিকভাবে তৈরি করা হয়েছে। পোলিং বুথ বসাতে সমস্যা হবে না। বরং পুরাতন হলগুলো পোলিং বুথ বসানোর জন্য কাজ করছি।’
