যে কারণে এবার হতাশ সিইসি নূরুল হুদা

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৪৮ পিএম

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বড় বড় রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ না করাকে হতাশাব্যঞ্জক বলে উল্লেখ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

রোববার আগারগাঁওস্থ ইটিআই ভবনে উপজেলা নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন সিইসি।

সিইসি বলেন, অনেকগুলো বড় বড় রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। এটা আমাদের জন্য অবশ্যই একটা হতাশাব্যঞ্জক খবর। আমরা সবসময় চাই, সবসময় চেয়েছি যে, নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হবে, অংশগ্রহণমূলক হবে এবং সকল দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

অবশ্য তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, এ নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হবে। সার্বিকভাবে অংশগ্রহণমূলক না হলেও। কারণ এই স্থানীয় নির্বাচনে দলের মধ্যে অথবা বাইরে অনেক যোগ্য লোক থাকেন, যারা নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করেন। সুতরাং প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হবে এরমধ্যে কোনো সন্দেহ নেই।”

কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিয়ে সিইসি বলেন, আপনাদের কোনো আচরণের কারণে যদি নির্বাচন ব্যাহত হয়, বিঘ্নিত হয়, সেটা কিন্তু আমরা কঠোরভাবে দমন করব। আপনারা কেবল আইন-কানুনের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন করবেন।

“আপনাদের কোনো দল নেই, মত নেই। রাজনৈতিক দলকে কোনো পরামর্শ দেওয়ার সুযোগ নেই। সাংবিধানিক, আইন-কানুনের যতটুকু দায়িত্ব আছে, তার বাইরে আর কোনো চাওয়া নেই”

নূরুল হুদা বলেন, অনেক সময় অনেকে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে থাকেন জেনে বা না জেনে। অনেক সময় দেখা যায় রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর জানার বাইরে অথবা তার সম্মতির বাইরে উৎসাহী লোক বা কোনো সমর্থক এগুলো করে থাকেন। এগুলোর ব্যাপারেও আপনাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে।

সিইসি আরও বলেন, নির্বাচনে প্রার্থীর পোলিং এজেন্টরা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের আশ্বস্ত করবেন যে তারা কেন্দ্রে দায়িত্বপালনের পর রেজাল্ট শিট নিয়ে নিরাপদে ফিরে যেতে পারবেন। তারা যাতে নিরাপদে কেন্দ্রে আসতে পারেন সে ব্যবস্থা করবেন। তবে এজেন্ট দেবে প্রার্থী। অনেক সময় অনেক দুর্বল প্রার্থী এজেন্ট দিতেও পারে না। আপনাদের কাজ হলো এজেন্ট দিলে তাদের নিরাপত্তা দেওয়া।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত