কার ভুলে এ লজ্জা?

তদন্তে কমিটি শেবাচিমের ডাক্তার নার্স বরখাস্ত

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৩:২৮ এএম

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ডাস্টবিন থেকে ২২টি ভ্রƒণ ও ৯টি পিণ্ড (ভ্রƒণ হয়ে ওঠার আগের অবস্থা) উদ্ধারের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষ। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে গাইনি বিভাগের প্রধান ও নার্সিং ইনচার্জকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে এ বিষয়ে এক জরুরি সভা হয়। হাসপাতালের পরিচালক ও মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষসহ পদস্থ চিকিৎসক এবং কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভায় ঘটনা তদন্তে হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. জহুরুল হক মানিককে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গাইনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. খুরশীদ জাহান এবং গাইনি ওয়ার্ডের নার্সিং ইনচার্জ জোৎস্না আক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে ডা. খুরশীদ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেছেন, তিনি এই ঘটনার কিছুই জানেন না।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোশারেফ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ভ্রণগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে দেহাবশেষগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় সৎকার করা হবে।

এদিকে এ ঘটনায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মিরাজ হাওলাদার বাদী হয়ে গত সোমবার রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় অপমৃত্যুর মামলা করেন। মামলা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত