অশ্লীল ও বিতর্কিত ভিডিও প্রকাশের অভিযোগে ইতিমধ্যেই সাইবার পুলিশ আটক করেছিল সানাই মাহবুব ও সালমান মুক্তাদিরকে। মুচলেকা দিয়ে তারা ছাড়া পান। মুচলেকায় তারা অঙ্গীকার করেছেন যে তারা আর কখনো অশ্লীল ও বিতর্কিত ভিডিও বানাবেন না এবং তা অনলাইনে প্রকাশও করবেন না।
এদিকে একটি সূত্রে জানা যায়, পুলিশের তালিকায় বিতর্কিত আরও অনেক মডেল ও অভিনেতাদের নাম আছে, যারা নানা সময়ে অশ্লীল ও বিতর্কিত কনটেন্ট তৈরি করেছেন। পর্যায়ক্রমে তাদেরও সাইবার পুলিশের মুখোমুখি করা হবে। এ তালিকায় রেশমী অ্যালন, টুনটুনি থেকে শুরু করে ভাদাইম্মার নামও রয়েছে বলে জানা গেছে।
দেশে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের নেতৃত্ব ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে নিরাপদ ইন্টারনেট ক্যাম্পেইন। অভিযানে মন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সব সাইবার ইউনিট, র্যাব, বিটিআরসি, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের এ-টু-আই।
দেশ রূপান্তরকে সোমবার পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি ও ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নাজমুল ইসলাম জানান, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের সেইফ ইন্টারনেট স্লোগানকে সামনে রেখে আমরা অভিযান চালাচ্ছি। যারা অশ্লীল ও বিতর্কিত ভিডিও প্রকাশ করে আসছেন ক্রমান্বয়ে তাদের সবাইকে কাউন্সেলিং করা হবে।
রেশমী অ্যালন ফেসবুক, ইউটিউব, বিগো লাইভের মতো সাইটে খোলামেলা ও অপেশাদার কথা বলেন। এছাড়াও ইউটিউবে ভাইদাইমা নামের বেশ কয়েকটি পেইজ থেকে অশ্লীল ভিডিও ও শর্ট ফিল্ম দেখানো হয়।
পুলিশের তালিকায় রয়েছে ইউটিউবের অসংখ্য চ্যানেল, যেগুলো অশ্লীল ভিডিও প্রকাশ করে আসছে। এই তালিকাটা বেশ লম্বাই বলে জানা যায়। শুধু ইউটিউব নয়, নাটক বা ফেসবুকেও যারা অশ্লীলতা ছড়াচ্ছেন তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
