বাংলাদেশ বিমানের ময়ূরপঙ্খী উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের ঘটনায় কমান্ডো অভিযানে নিহত মাহমুদ পলাশের (২৪) মৃতদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) মর্গে রয়েছে।
রোববার গভীর রাতে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পতেঙ্গা থানা পুলিশ চমেকের মর্গে পাঠায় বলে জানা গেছে।
সোমবার দুপুর ২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহত পলাশের কোনো স্বজন চমেকের মর্গে আসেনি বলে জানান সেখানে কর্মরত (ডোম) সুধাংশু দাশ।
অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে লাশটি মর্গে আছে বলে জানান তিনি।
সুরতহাল প্রতিবেদনের সূত্র ধরে পতেঙ্গা থানার ওসি উৎপল কান্তি বড়ুয়া দেশ রূপান্তরকে বলেন, পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি উচ্চতার এই তরুণের নাভির ডান পাশের গোলাকার ক্ষত আছে।
চমেকের মর্গ সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ক্লাস শেষে ময়নাতদন্ত করা হবে।
অন্যদিকে পতেঙ্গা থানার ওসি জানান, উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি। তবে প্রস্তুতি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
প্রসঙ্গত, ঢাকা থেকে দুবাইগামী বাংলাদেশ বিমানের ‘ময়ূরপঙ্খী’ উড়োজাহাজ রোববার ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছিল। প্রায় দুই ঘণ্টার টানটান উত্তেজনার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটি ছিনতাই চেষ্টার অবসান হয়।
কমান্ডো অভিযানে উড়োজাহাজে থাকা অস্ত্রধারী তরুণ পলাশ নিহত হন। র্যাবের ক্রিমিনাল ডেটাবেইসে রক্ষিত তথ্য অনুযায়ী তার পরিচয় হলো- নাম- মো. পলাশ আহমেদ, পিতা- পিয়ার জাহান সরদার, ঠিকানা- দুধঘাটা, পিরিজপুর, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
