সনদ পেল ইস্ট ওয়েস্ট বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:২৩ পিএম

বসুন্ধরা গ্রুপের আওতাধীন ইস্ট ওয়েস্ট বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলকে চূড়ান্ত সনদ দিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। গতকাল বেজা কার্যালয়ে এ সনদ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী। এটি হলো বেজা প্রদত্ত দশম বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল সনদ।

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে বুড়িগঙ্গা নদীসংলগ্ন স্থানে ১০২ দশমিক ৭০ একর এলাকাজুড়ে ইস্ট ওয়েস্ট বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবস্থান। প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্যোক্তা বসুন্ধরা গ্রুপ। প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলে ফুড প্রসেসিং, এলপিজি সিলিন্ডার, এডিবল ওয়েল, বিটুমিন, প্যাকেজিং ভিত্তিক শিল্প স্থাপনা গড়ে তোলা হবে।

অঞ্চলটিতে বিনিয়োগের পরিমাণ হবে প্রায় ২৬০ মিলিয়ন ডলার। এর সফল বাস্তবায়নে প্রায় ২০ হাজার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৫০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কারখানা ও প্রশাসনিক ভবন, পণ্যাগার,  লজিস্টিক এলাকা, পানি ও বর্জ্য শোধনাগার, সড়ক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় স্থাপনা গড়ে তোলা হবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং সবুজায়ন করা হবে। পরিবেশের ওপর যাতে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে তার জন্য পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। বেজার চূড়ান্ত সনদপ্রাপ্ত ৬ বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল হতে ১৭টি প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেছে। এ ছাড়া আরও ২১টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্মাণাধীন। এই অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে প্রায় ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে। এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত সিমেন্ট, ভোজ্য তেল, ব্যাগ, পেপার, টিস্যু, বেভারেজ প্রভৃতি পণ্য রপ্তানি হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন,  ঢাকার পাশর্^বর্তী  হওয়ায় দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে ইস্ট ওয়েস্ট বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ব্যাপক সাড়া পাবে। নিমতলী, চকবাজারের মতো ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এসব মোকাবিলার জন্য পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে বেজা বদ্ধপরিকর। তিনি বিনিয়োগকারীদের অনুরোধ করেন সরকারের সব আইন ও নীতি প্রতিপালন করে তারা যেন পরিকল্পিত শিল্প স্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে ইস্ট ওয়েস্ট বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কর্ণধার শাফিয়াত সোবহান বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের মাধ্যমে তার প্রতিষ্ঠান দেশ এবং দেশের বাইরের বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য একটি ক্ষেত্র প্রস্তুতে আগ্রহী।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত