টুইটারে সরব মোদি, নীরব ইমরান

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৩:০৬ এএম

ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধের দামামা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও উত্তাপ ছড়িয়েছে। দুই দেশের কর্তাব্যক্তিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরছেন। তবে বিশ্লেষকদের মতে এক্ষেত্রে এগিয়ে আছে ভারত। ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামার ঘটনার পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তার টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে মাত্র আটবার টুইট করেছেন। কিন্তু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মোট ১২৯ বার টুইট করেছেন।

১৪ তারিখের হামলার পর মোদি যখন টুইট বার্তায় বলেন, ‘পুলওয়ামায় সিআরপিএফ জওয়ানদের ওপর হামলায় নিন্দা জানাই। আমাদের বুদ্ধিমান নিরাপত্তারক্ষীদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে পারে না’ তখন ইমরান খান দেশে শীতকালে বৃষ্টি হওয়া ও বায়ুদূষণ নিয়ে টুইট করেন। অথচ মোদিকে পুলওয়ামার হামলার পর কোনো কোনোদিন ঘণ্টায় তিনবারও টুইট করতে দেখা যায়।

পুলওয়ামার হামলার পর ইমরানের করা আটটি টুইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সরব দেখা যায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সফরের সময়। ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি এক টুইটে বলেন, ‘যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান পাকিস্তানের মানুষের হৃদয় জয় করেছে’। অথচ ওই দিনও কাশ্মীর সীমান্তে ব্যাপক উত্তেজনা চলছিল। অবশ্য ইমরান খানের বক্তব্য নিয়ে একাধিক টুইট করে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র। ইমরান খানের উদ্ধৃতি দিয়ে তাকে ‘ভারতকে উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে’ এমন টুইট করতেও দেখা যায়।

যুদ্ধের নিজস্ব গতিবিদ্যা রয়েছে, এজন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত বলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে ২৬ তারিখ টুইট বার্তা দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। টুইটে শান্তির কথা বলে মোদিকে আশ্বস্ত করলেন তিনি। টুইট বার্তায় তিনি জানান, পাকিস্তান শান্তি চায়।

কিন্তু নরেন্দ্র মোদি ইমরান খানের শান্তির প্রস্তাব রাখেননি। ২৬ তারিখই কাশ্মীরের সীমানা পেরিয়ে পাকিস্তানের বালাকোটে হামলা চালায় ভারতীয় বাহিনী। এই হামলায় দুই দেশের মধ্যকার পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নেয়। ২৭ তারিখ সকালে পাকিস্তানের বিমান বাহিনীও নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে হামলা চালায়। এ সময় দুই পক্ষেরই বিমান ভূপাতিত হয় বলে দাবি করেছে উভয়পক্ষ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত