ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য রক্ষায় নতুন পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে ফেসবুক। সেটি বাস্তবায়ন হলে ব্যবহারকারীর গোপন মেসেজ, ছবি ফেসবুক নিজেও বুঝতে পারবে না।
ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গ এক ব্লগ পোস্টে তাদের নতুন পরিকল্পনার কথা জানান।
ফেসবুকের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রথম আলোচনা শুরু হয় ২০১৬ সালের দিকে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেমব্রিজ অ্যানালিটিকার কাছে গ্রাহকের তথ্য বিক্রি করে তারা। সেই তথ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ট্রাম্পকে নির্বাচনী প্রচারে সহায়তা করে বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানাজানি হলে জাকারবার্গ বিপাকে পড়েন। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্ষমা পর্যন্ত চাইতে হয়। শুধু তাই নয়, গ্রাহকের তথ্যের অপব্যবহার করায় ব্রিটিশ এমপিদের কাছে ব্যাখ্যাও দিতে হয় তাকে।
সম্প্রতি পিউ রিসার্চ জানায়, একজন ব্যবহারকারী কোন কোন পেজে বেশি সময় কাটান, কী বেশি খোঁজেন, তার পছন্দের তালিকায় কী রয়েছে এসব তথ্য ফেসবুক নিয়মিত সংগ্রহ করে। তারপর সেটি বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করে। সেগুলো বিশ্লেষণ করে ফেসবুকে নিজেদের পণ্যের বিজ্ঞাপন দেয় প্রতিষ্ঠানগুলো।
জাকারবার্গ জানিয়েছেন, নতুন পরিকল্পনায় তারা মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রামকে এক সঙ্গে যুক্ত করতে চান। যাতে একটি থেকে অপরটিতে যোগাযোগ করা যায়। এই তিনটি অ্যাপই ফেসবুকের মালিকানাধীন।
