ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) পরিচালক প্রকৌশলী মো. রমিজ উদ্দিন সরকারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বৃহস্পতিবার সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তাকে জেরা করা হয়। এর আগে সোমবার দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন তাকে নোটিস পাঠিয়ে তলব করেন।
গত ২০ জানুয়ারি রমিজ উদ্দিনকে সম্পদের বিবরণী দাখিলের নোটিস দেন কমিশনের উপপরিচালক ঋত্ত্বিক সাহা। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ রয়েছে রমিজ উদ্দিন নিজের নামে রাজধানীর উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর রোডে সাততলা, মিরপুরের পূর্ব মনিপুরে ছয় তলা, মিরপুরের মিল্কভিটা রোডে ফ্ল্যাট, রামপুরা মহানগর হাউজিংয়ে ৮ নম্বর রোডের ৪ দশমিক ৫ কাঠা জমির ওপর পাঁচটি দোকান ও টিনশেড বাড়ি এবং পূর্ব রামপুরায় ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ জমিতে বাড়ি রয়েছে। এ ছাড়া টঙ্গী ও গাজীপুরে নামে-বেনামে ৩০ একর জমি আছে রমিজের। কুমিল্লায় গ্রামের বাড়িতেও রয়েছে অনেক জমি। মুরাদনগরে স্ত্রী সালমা পারভীনের নামে রয়েছে ৫০ বিঘা জমি। শেয়ারবাজারে রমিজ দম্পতির বড় অঙ্কের বিনিয়োগ রয়েছে।
রমিজের বিরুদ্ধে গাজীপুরে জমি বিক্রি করে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচার এবং পরে বৈধপথে বাংলাদেশে ফেরত আনার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে দুদক। দুদক জানায়, ২০১৮ সালে রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ জমা হয়। অনুন্ধান কর্মকর্তা উপসহকারী পরিচালক শহিদুর রহমান তদন্তে নেমে তার সম্পদের পাহাড় খুঁজে পান।
