বাকি দশজনের মধ্যে কেউ পঞ্চাশে পা দিতে পারেননি। আর তিনি টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করার পথে খেলে গেছেন ধ্রুপদি এক ইনিংস। বিরাট কোহলি। আধুনিক ক্রিকেটের ‘সেঞ্চুরি মেশিন’। এদিন তিনি আরেকটি রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি করেও ভারতকে জেতাতে পারেনি।
৩২ রানের এই জয়ে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ১-২ ব্যবধানে থেকে শিরোপার আশা জিইয়ে রাখল অস্ট্রেলিয়া।
রাঁচির ঝাড়খণ্ড স্টেট ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাট করতে পাঠান কোহলি। অজিরা ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ৩১৩ রান সংগ্রহ করে। গত জুনের পর এই প্রথম দলটি তিন শতাধিক রানের স্কোর গড়ে। জবাবে ৪৮.২ ওভারে ২৮১ রানে থেমে যায় ভারত।
ওডিআই ক্যারিয়ারে এটি কোহলির ৪১তম সেঞ্চুরি। রান তাড়া করতে নেমে ২৫তম। তার মধ্যে মাত্র চারবার হারলেন।
এদিন একাধিক ব্যক্তিগত রেকর্ড গড়েছেন কোহলি। ভারতের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বাধিক সেঞ্চুরির মালিক হয়েছেন। আগে শচীনের দখলে ছিল এই রেকর্ডটি। এ ছাড়া চতুর্থ ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডেতে ৪ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ভারতীয় বোলারদের ঘাম ঝরিয়ে ছাড়েন। অ্যারন ফিঞ্চ এবং উসমান খাওয়াজা ১৯৩ রানের জুটি গড়েন।
ফিঞ্চ সেঞ্চুরি থেকে সাত রান দূরে থাকতে সাজঘরে ফিরলেও ১১৩ বলে ১১টি চার এবং একটি ছক্কায় ১০৪ করে যান খাওয়াজা।
এরপর গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ৩১ বলে ৪৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে স্কোর বড় করেন। ২৬ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন স্টয়নিস।
জবাব দিতে নেমে ভারত ১৫ রানে দুই উইকেট হারালেও অধিনায়ক কোহলি দলকে পথে রাখেন। দারুণ সব শট খেলে রানের চাকা সচল রাখেন। ধোনির (২৬) সঙ্গে ৫৯ রানের জুটি গড়ার পর কেদার যাদবকে (২৬) নিয়ে তোলেন ৮৮ রান। বিজয় শংকরের সঙ্গে যোগ করেন আরও ৪৫ রান।
সমানতালে ব্যাট করতে থাকা কোহলি ৮৫ বলে শতরান স্পর্শ করেন। ৯৫তম বলে থামার আগে ১২৩ রান করে যান। ১২৯.৪৭ স্ট্রাইক-রেটে ১৬টি চার, একটি ছক্কা হাঁকান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এসেছে অলরাউন্ডার বিজয় শংকরের ব্যাট থেকে। ৩০ বলে ৩২ করেন তিনি।
প্যাট কামিন্স, জাই রিচার্ডসন এবং অ্যাডাম জাম্পা তিনটি করে উইকেট নেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার গেছে শতক হাঁকানো অজি ওপেনার খাওয়াজার দখলে।
মোহালিতে ১০ মার্চ চতুর্থ ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।
