সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ছাত্রদল প্রার্থীদের মধ্যে বেশি ভোট লাম-লামের

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০১৯, ০২:৩৯ এএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া বিষয়ক সম্পাদক পদে লড়েছিলেন কানেতা ইয়া লাম-লাম। তিনি ৭ হাজার ১১৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন। বিজয়ী প্রার্থী ছাত্রলীগের লিপি আক্তার পেয়েছেন ৮ হাজার ৫২৪ ভোট। ডাকসুতে ছাত্রদলের প্যানেলে যারা প্রার্থী হয়েছিলেন, তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিশেষ নজরকাড়া লাম-লাম।

ফলাফলের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে গতকাল মঙ্গলবার দেশ রূপান্তরকে তিনি বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল সাজানো। এই ফলাফল মেনে নেওয়ার কোনো কারণ নেই। ফলাফল নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভুগছি না।’ লাম-লাম বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে ভোট যাকে বলে তা হয়নি। তাই ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে। এই দাবিতে আন্দোলন চলবে। ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য সব ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবে ছাত্রদল।’ তিনি বলেন, সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের অনেকে ভোট দিতে পারেননি। কেউ কেউ পাঁচ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও ভোট দিতে পারেননি। কুয়েত-মৈত্রী হলে আগের রাতে ব্যালট কেটে বাক্স ভরা হয়েছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো। বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন যে ফলাফল ঘোষণা করেছে, তা যে সাজানো তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কারণ একই প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ২৪৫ ভোট।

লাম-লামের বাবা হাবিবুল ইসলাম হাবিব বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, যিনি সর্বশেষ ডাকসুর বিজ্ঞান মিলনায়তন সম্পাদক ছিলেন। এই নির্বাচনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সাতক্ষীরা-১ আসন (তালা-কলারোয়া) থেকে একাধিকবার নির্বাচিত বিএনপি নেতা হাবিব দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের নামে যা হয়েছে তা বিশ^বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করেছে। জনগণের আশা-আকাক্সক্ষার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছিল বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন। সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা ভোট দিতে পারলে লাম-লাম বিজয়ী হতো।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত