ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের দিন রোকেয়া হলের প্রভোস্ট ড. জিনাত হুদাকে লাঞ্ছনার অভিযোগে নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুরসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী শাহবাগ থানাকে আগামী ১৭ এপ্রিল প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছেন। মামলায় নুর ও ভিপি প্রার্থী ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি লিটন নন্দী, জিএস প্রার্থী ঢাবির জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার আনিসুর রহমান, জিএস প্রার্থী ছাত্র ফেডারেশনের ঢাবি শাখার সভাপতি উম্মে হাবিবা বেনজির ও রোকেয়া হল সংসদে স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী শেখ মৌসুমীর সঙ্গে অজ্ঞাতনামা ৩০-৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান জানান, ঢাবির নৃত্যকলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মারজুকা রায়না বাদী হয়ে সোমবার রাতে এই মামলা করেন। আদালত মামলা তদন্ত করে ১৭ এপ্রিল প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, সোমবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে মারজুকা রায়না রোকেয়া হলে ভোটের লাইনে দাঁড়ান। এর মধ্যে হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বানচালের চেষ্টা চালান অভিযুক্তরা। তারা গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে গুজব ছড়িয়ে দেন, ট্রাঙ্কভর্তি সিল মারা ব্যালট পেপার হলের ভেতরে রয়েছে। পাশাপাশি তারা শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে উসকে দেন। শুধু তাই নয়, অভিযুক্তরা প্রভোস্টের কথা না শুনে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং শিক্ষার্থীদের গালাগাল করেন। এ সময় তারা রোকেয়া হল সংসদের দরজা-জানালা লাথি মেরে ভেঙে ফেলার চেষ্টা চালান। পরে তারা সংসদের ভেতর অনধিকার প্রবেশ করে একটি ট্রাঙ্ক বের করে আনেন। সেটি খুলে দেখা যায় সব ব্যালট পেপারই সাদা, কোনোটিতে সিল মারা নেই।
