অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হবে ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। বাজেটে কথা কম থাকবে, আকার কমবে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে অর্থনীতিবিদ ও পেশাজীবীদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আগামী বাজেটের লক্ষ্য অর্জন করতে পারব। সবার সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা শেষে বাজেটের আকার নির্ধারণ করব। প্রবৃদ্ধি অর্জন যেন সাড়ে ৮ শতাংশ হয়, সেই হিসাব মাথায় রেখে বাজেট ঘোষণা করা হবে। আগামী বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী পালিত হবে। সেই স্পিরিট থেকে এই জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের চেষ্টা করা হবে।’
সভায় অর্থনীতিবিদরা ব্যাংক খাতে সংস্কার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) শক্তিশালী করা, কর ব্যবস্থাকে অটোমেশনের আওতায় আনা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন বলে অর্থমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, কর জিডিপি রেশিও বাড়াতে এনবিআরকে শক্তিশালী করে অটোমেশনের আওতায় আনা হবে। ই-পেমেন্ট সার্ভিস চালু করা হবে।
মুস্তফা কামাল বলেন, ‘এরপর থেকে যে কেউ, যেকোনো জায়গায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়তে পারবে না। অনেকে কিছু জায়গা নিয়ে একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেন, যাতে পয়সা নিয়ে কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হয়। পয়সা নেওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক। বেসরকারিভাবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না করে তা সরকারের করা উচিত।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনীতিবিদরা শিক্ষা খাতে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। বাস্তবতা হলোÑ প্রকল্পে শিক্ষার জন্য আলাদা অংশ থাকে। শুধু প্রাইমারি শিক্ষাই শিক্ষা নয়, এর বিষয়টি অনেক বিস্তৃত। সেই হিসেবে শিক্ষায় কখনো বরাদ্দ কমে না বরং বাড়ে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাই আগামী বাজেটে মেগা প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বেশি রাখব, যাতে করে প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ করা যায়।’
