দেশের গান গাইতে গাইতে একসঙ্গে হাঁটি

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৯, ১০:৪৬ পিএম

১৯৭১ সালের পঁচিশে মার্চের ভয়াল কালরাতকে স্মরণ করে এ বছরও নাট্য সংগঠন প্রাচ্যনাট আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘লালযাত্রা’। রাহুল আনন্দ’র ভাবনা ও পরিকল্পনায় নয় বছর আগে ‘লালযাত্রা’র সূচনা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গ নিয়েই দেশ রূপান্তরের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন পাভেল রহমান

কোন ভাবনা থেকে লালযাত্রা?
এদেশের মানুষের জীবনে ১৯৭১ সালের পঁচিশে মার্চ এক ভয়াল কালরাত। পৃথিবীর ইতিহাসের নৃশংস এক রাত দেখেছিল আমাদের পূর্বপ্রজন্ম। সেদিন যারা জীবন দিয়েছিলেন, সেই শহীদদের স্মরণে এই আয়োজন। সেই সঙ্গে রক্তপাতের বিরুদ্ধে মানুষকে বার্তা দেওয়ার জন্যই আমাদের সম্মিলিত এই প্রয়াস। আমরা রক্তপাতহীন মানুষের পৃথিবী চাই।

এবারের আয়োজনে কী থাকবে?
এটি প্রতি বছর একই রকম আয়োজন হয়। শুরুতে একটি ইম্প্রভাইজেশন অভিনয়ের মাধ্যমে সূচনা হয়। এরপর ‘ধন ধান্যে পুুষ্পে ভরা’ এবং দেশাত্মবোধক গান সম্মিলিত কণ্ঠে গাইতে গাইতে একসঙ্গে সবাই হাঁটি। তারপর সন্ধ্যা নামলে প্রদীপ জ¦ালিয়ে শহীদদের স্মরণ করি। এবার ইম্প্রভাইজেশন অভিনয়ের সমন্বয় করছেন কাজী তৌফিকুল ইসলাম ইমন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর (টিএসসি) থেকে আজ পঁচিশে মার্চ (রবিবার) বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রাচ্যনাট সবান্ধব হেঁটে যাবে স্মৃতি চিরন্তন চত্বর (ফুলার রোড সড়কদ্বীপ) পর্যন্ত। সেখানেই শহীদদের প্রতি সম্মানার্থে প্রদীপ প্রজ¦লনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে লালযাত্রা। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

এর সঙ্গে কি জলের গান থাকবে?
এটি সবার সম্মিলিত আয়োজন। যার সমন্বয় করছে প্রাচ্যনাট। আমরা মনে করি, যে কেউ এ আয়োজনে অংশ নিতে পারে। জলের গানের সদস্যরাও থাকবে। আমাদের গানের, নাচের, আবৃত্তির এবং অন্য বন্ধুরাও থাকবে।
সবাই মিলে একসঙ্গে হেঁটে যাব। আমাদের এখন নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। তারপরও সবাইকে বলব একটু সময় বের করে, একবেলা আমাদের পূর্বপ্রজন্মকে স্মরণ করে ‘লালযাত্রা’য় দেশের গান গাইতে গাইতে একসঙ্গে হাঁটি। আমাদের ঐক্যের বন্ধন অটুট থাকুক।

জলের গান নিয়ে আপনার ব্যস্ততার কথা শুনতে চাই।
নিয়মিত স্টেজ শো করছি। এ ছাড়া জলের গান নতুন গান রেকর্ড করছে। এরই মধ্যে ১৩টার মতো নতুন গান তৈরি হয়েছে। সেগুলো অ্যালবাম আকারে প্রকাশ করব নাকি অনলাইনে একটি একটি করে প্রকাশ করা হবে সেটি চূড়ান্ত করা হয়নি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত