কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অব স্পেশাল অ্যাডভাইজর অন প্রিভেনশন অব জেনোসাইড আদামা দিয়েং।
মঙ্গলবার বিকেলে তিনি ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এসময় একাধিক নির্যাতিত রোহিঙ্গা নারীর সাথে কথা বলেন আদামা। রোহিঙ্গা নারীরা বলেছেন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা একাধিক নারীদের দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। তারা বেশিরভাগ নারী অবিবাহিত। ধর্ষণের পর অনেককে হত্যা করা হয়।
উখিয়ার কুতুপালং শরনার্থী ক্যাম্প ইনচার্জের কার্যালয়ে ঘণ্টা ব্যাপী স্থানীয় গ্রামবাসীর সাথে আদামা দিয়েং এক বৈঠকে মিলিত হন। এ সময় স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা আসার কারণে এখানকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক বনায়ন, কৃষি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এগুলোর ক্ষতি পূরন দেওয়ার দাবি করেন স্থানীয়রা।
রাজাপালং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলহাজ্ব বখতিয়ার আহমদ বলেন, এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে রোহিঙ্গা ও গ্রামবাসীর মধ্যে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।
তিন দিনের সফরে কক্সবাজারের আসেন জাতিসংঘের গণহত্যা প্রতিরোধ বিষয়ক বিশেষ দূত (উপদেষ্টা)। এসময় শুভেচ্ছা জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এবি এম মাসুম হোসেন, ইউ এন এইসসি আর কক্সবাজার সাব অফিসের কর্মকর্তা ইফতেখার উদ্দিন বায়েজিদ।
একটি সূত্র জানিয়েছে, জাতিসংঘের গণহত্যা বিষয়ক প্রধান আদামা দিয়েং এর সরেজমিনে পরিদর্শন প্রতিবেদনের উপর অনেকটা নির্ভর করবে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা হয়েছে কিনা, তার ফলাফল প্রকাশে।
