কালো ধোঁয়া নীরব ঘাতক

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০১৯, ১১:০৬ পিএম

রাস্তা দিয়ে হাঁটলে, প্রতি মুর্হূতে দেখা যাবে অনেক গাড়ি আছে কালো ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে চলছে।  হয়তো ধোঁয়ার কুণ্ডলির ফাঁদে পড়ে গেছেন, কালো ধোঁয়া নাকমুখ দিয়ে প্রবেশ করছে। এসব বাস, ট্যাক্সি কিংবা টেম্পোতে চড়লে কিছুক্ষণ পর দেখা যাবে চোখ জ্বালা করছে, বমিভাব হচ্ছে বা মাথা ধরেছে। বাসে কিছুক্ষণ বসে থাকার পর মনটা মুক্ত বাতাসের জন্য ছটফট করবে। এমনভাবে অসংখ্য নাগরিক কালো ধোঁয়ার শিকার হচ্ছেন। গাড়ির কালো ধোঁয়া বের হয় সাধারণ জ্বালানির অসম্পূর্ণ দহন থেকে। বিশেষ করে গাড়ির ইঞ্জিন পুরনো হলে জ্বালানি সম্পূর্ণ দহন করতে পারে না বলে আগে সে সব গ্যাস বের হয়ে বাতাসে মিশে যায়। গাড়ি চলার সময় যাত্রীরা গ্যাসের গন্ধ পান। যানবাহন থেকে শতকরা ৮০ ভাগ কার্বন মনোঅক্সাইড বাতাসে মেশে। ট্যাক্সি, টেম্পোসহ অনেক বাস আছে যা পেট্রলের সঙ্গে মবিল মিশিয়ে চালানো হয় খরচ কমে বলে। তাতে করে ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়; সেই ধোঁয়ায় কোনো সুস্থ মানুষ অসুস্থ না হয়ে পারে না। কালো ধোঁয়ায় বিভিন্ন উপাদান যেমন কার্বন মনোঅক্সাইড গ্যাস নিঃশ্বাসের সঙ্গে প্রবেশ করে, রক্তের লোহিত কণিকা হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে মিশে কার্বন ফ্রি হিমোগ্লোবিন তৈরি করে। ফলে হিমোগ্লোবিনে অক্সিজেন বহন ক্ষমতা নষ্ট হয় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। পরিশেষে, এই নীরব ঘাতক কালো ধোঁয়া রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে যথাযথ কর্র্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

শমরিতা চৌধুরী, মিরপুর, ঢাকা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত