পহেলা বৈশাখে সব ইউনিয়নে শোভাযাত্রা

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৯, ০২:৫১ এএম

বাংলা নববর্ষ-১৪২৬ উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। সরকারি উদ্যোগে দেশের সব জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে বৈশাখী র‌্যালির আয়োজন করা হবে। সব জেলায় কুইজ প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকজ মেলার আয়োজন করবে স্থানীয় প্রশাসন। গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানিয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এর বাইরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হবে। রমনা বটমূলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে গত ২৪ মার্চ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার হলে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করবে। শিশু একাডেমি, বাংলা একাডেমি, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, আরকাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর, জাতীয় জাদুঘর, কবি নজরুল ইনস্টিটিউট, কপিরাইট অফিস, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ও বিসিক নববর্ষ মেলা, আলোচনাসভা, প্রদর্শনী, কুইজ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করবে। বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করবে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠান আয়োজন করবে।

বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য এবং মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিহাস ও ইউনেস্কো কর্র্তৃক এটিকে ‘ইন্ট্যানজিবল কালচার হেরিটেজ’-এ অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি তুলে ধরে এদিন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমির উদ্যোগে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

নববর্ষে সব কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে (এতিমখানা) উন্নতমানের খাবারের ব্যবস্থা করা হবে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কয়েদিদের তৈরি বিভিন্ন দ্রব্য প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হবে। সব জাদুঘর ও প্রতœস্থান সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে এবং শিশু-কিশোর, ছাত্র-ছাত্রী, প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশুরা বিনা টিকিটে প্রবেশ করতে পারবে।

স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্ব-স্ব ব্যবস্থাপনায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো এ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করবে। সব সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, এফএম ও কমিউনিটি রেডিও নববর্ষের অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচারের ব্যবস্থা নেবে এবং স্ব-উদ্যোগে বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করবে। নববর্ষ উদযাপনকালে সারা দেশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত